২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
“সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।”
কোনো যানবাহনকে স্লিপ ছাড়া তেল দেওয়া হবে না, সভায় সিদ্ধান্ত।
নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ মানে ঝুঁকি নেওয়া, কিন্তু নিরাপদ থাকাটাও জরুরি। সাংবাদিকরা পাবলিক ওয়াচডগ; তাদের সুরক্ষা মানে জনগণের তথ্যাধিকার নিশ্চিত করা।
সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী চালক ও সহযাত্রী উভয়ের জন্যই হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক। আইন অমান্য করলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। আইনের বাধ্যবাধকতা ছাড়াও সড়কে দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে দরকার ভালো হেলমেট। যদিও সব রাইড শেয়ার চালকরা কেবল আইন মানতে পেছনের যাত্রীদের জন্য সস্তায় এক ধরনের হেলমেট কেনেন। ফুটপাতেও অল্প দামে এ ধরনের হেলমেট বিক্রি হয়। কিন্তু দুর্ঘটনায় পড়লে মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য তা কতুটুক সহায়ক, সেটিই প্রশ্ন।
“এটা একা বিআরটিএ, সড়ক বিভাগ কিংবা পরিবহন বা পুলিশের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।”
গবেষকরা বলছেন, হেলমেটটি প্রসারিত হতে পারার পাশাপাশি নিজের আসল আকারে ফিরে যেতে পারে, যা দুর্ঘটনা ঠেকানোর জন্য উপযোগী।
কাদের বলেন, “খালি ঢাকা শহর করলে তো হবে, পুরো বাংলাদেশ করতে হবে। নো হেলমেট, নো ফুয়েল। এইটা আজকে আমরা সিদ্ধান্তই নিলাম।”