ক্যামেরার সামনে প্রেম, নেপথ্যে কথা বন্ধ! তারা কমল হাসান ও রতি অগ্নিহোত্রী
দুজনের অভিনয়ে সেই দূরত্বের ছাপ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ক্যামেরার সামনে তারা একে অপরের সঙ্গে প্রেম করেছেন, উষ্ণ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন। কিন্তু ক্যামেরা বন্ধ হতেই থেমে যেত তাদের কর্থাবার্তাও। তারা ভারতীয় অভিনয় শিল্পী কমল হাসান ও রতি অগ্নিহোত্রী।
১৯৮৫ সালের ‘দেখা পেয়ার তুম্হারা’ সিনেমার শুটিংয়ে এমনই অদ্ভুত আচরণ করেছেন দুজনেই; এমনি নিজেদের মধ্যে ‘হ্যালো’টুকুও বলেননি তারা। অথচ তাদের অভিনয়ে সেই দূরত্বের ছাপ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এই পরিস্থিতির সাক্ষী ছিলেন সিনেমার চিত্রনাট্যকার রাণবীর পুষ্প।
আনন্দবাজার জানিয়েছে, সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে সেই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন রাণবীর। তিনি বলেন, ওই সিনেমার নায়িকা হিসাবে কমল পছন্দ করেছিলেন পুনম ঢিল্লোঁকে। কিন্তু তার ইচ্ছাকে গুরুত্ব না দিয়ে রতিকে নায়িকা হিসাবে বেছে নেন নির্মাতারা।
কমল বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। তবে প্রকাশ্যে কোনও আপত্তি জানাননি বা শুটিংয়ে কোনও অশান্তিও করেননি। বরং সমস্যা প্রকাশ পায় কিছু দিন পরে।
রাণবীর বলেন, “শুটিং শুরু হওয়ার পরই বোঝা যায়, নায়ক-নায়িকা পরস্পরের সঙ্গে কথা বলছেন না। প্রশ্ন উঠেছিল, এমন পরিস্থিতিতে সিনেমাটি কীভাবে শেষ হবে।”
শেষপর্যন্ত অবশ্য সিনেমার কাজ থামেনি। রাণবীর বলেন, সিনেমা দেখলে কেউ বুঝতেই পারবে না যে, দুই শিল্পী শুটিংয়ের সময় একে অন্যের সঙ্গে কথা বলতেন না।
সেই সময়ে কমলের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নানা টানাপড়েন চলছিল। রাণবীর জানিয়েছেন, তখন অভিনেতা বিবাহিত। বাণী গণপতির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলেন তিনি। প্রায় এক দশকের সেই সম্পর্ক পরে ভেঙে যায়। একই সময়ে অভিনেত্রী সারিকার সঙ্গে কমলের ঘনিষ্ঠতার সূত্রপাত হয়।
১৯৮৪ সালে তাদের প্রথম সিনেমা একসঙ্গে মুক্তি পাওয়ার সময়েই নাকি ইউনিটের অনেকের চোখে পড়েছিল দুজনের ঘনিষ্ঠতা। শুটিংয়ে নাকি দুজনকে প্রায়ই এক কোণে একসঙ্গে বসে থাকতে দেখা যেত।
