সক্ষমতা থাকলে পানি পুনর্ব্যবহার করতে হবে: তাজুল
গৃহস্থালি ও শিল্পে ব্যবহার করা পানি পুনরায় ব্যবহারের তাগিদ দিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, যেসব কারখানার সক্ষমতা রয়েছে তাদেরকে অবশ্যই তা করতে হবে।
মঙ্গলবার বিশ্ব পানি দিবস-২০২২ উপলক্ষে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে তিনি ব্যবহৃত পানি আবারও ব্যবহারযোগ্য করতে বড় বড় শোধনাগার স্থাপনের মহাপরিকল্পনা নেওয়ার কথা বলেন।
পানির অপচয় ঠেকানোর তাগিদ দিয়ে তাজুল ইসলাম জানান, দেশের অনেকেই পুনর্ব্যবহার বা ‘রিসাইক্লিং’ কঠিন মনে করলেও এটা অসম্ভব নয়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “পৃথিবীর বহু দেশ রিসাইক্লিং করে পানির ব্যবহার করছে। আমাদের দেশেও এই ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য দরকার সার্বিক একটি ব্যবস্থাপনা।
“যেসব প্রতিষ্ঠান ও শিল্প-কলকারখানার ব্যবহৃত পানি রিসাইক্লিং করার সক্ষমতা রয়েছে তাদের অবশ্যই করতে হবে।”
তিনি জানান, ঢাকা শহরের প্রত্যেক বাসায় পাইপ লাইন দেওয়া অথবা রাস্তা খুঁড়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে ট্রিটমেন্ট প্লান্টে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এজন্য সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট দরকার।
“প্রত্যেক বাড়িতে সেপটিক ট্যাংক নিশ্চিত করতে হবে। সেখান থেকে ট্রিটমেন্ট প্লান্টে নিয়ে পানি শোধন করে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে। সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনে মহাপরিকল্পনা নিতে ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।”
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ফন ডেয়ার লিন্ডে, বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলটন ইয়েট এবং ডব্লিউএইচওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত।
