১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

তরুণ প্রজন্মকে রক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন জোরদারের তাগিদ

'তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি’ প্রতিপাদ্যে শুক্রবার বাংলাদেশে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত হচ্ছে'।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Aug 2024, 12:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:41 AM

দেশের তরুণ তরুণীরা তামাক কোম্পানিগুলোর মূল টার্গেট জানিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করার তাগিদ দিয়েছে ‘প্রজ্ঞা’।

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে এক বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞার (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এ তথ্য জানিয়েছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলো ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতিবছর ৩১ মে ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস' হিসাবে পালন করে আসছে। 'তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি’ প্রতিপাদ্যে শুক্রবার বাংলাদেশে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত হচ্ছে'। 

প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “বাংলাদেশে বর্তমান মোট জনগোষ্ঠীর ৪৮ শতাংশই তরুণ- তরুণী এবং এরাই কোম্পানির মূল টার্গেট। আইন শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে তামাক কোম্পানির ছোবল থেকে এই প্রজন্মকে সুরক্ষা প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি।”

প্রজ্ঞা বলছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী অন্তত ৩ কোটি ৭০ লাখ কিশোর-কিশোরী নিয়মিতভাবে তামাক ব্যবহার করে।

“এই কিশোর-কিশোরীদের আসক্ত করতে কোম্পানিগুলো নানা ধরনের কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে থাকে। সুগন্ধিযুক্ত তামাকপণ্য বাজারজাতকরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকপণ্য সহজলভ্য করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেলিব্রেটিদের ব্যবহার করা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান এবং শক্তিশালী আইন ও কর পদক্ষেপের বিরোধিতা করা এগুলোর মধ্যে অন্যতম।”

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোলের (সিডিসি) গবেষণায় দেখা গেছে, ২১ বছর বয়সের আগেই যারা তামাকে আসক্ত হয়ে পড়েন তাদের মধ্যে নিকোটিন নির্ভরতা এবং আমৃত্যু তামাক ব্যবহারের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে প্রজ্ঞা।  

"গ্লোবাল স্কুল-বেজড হেলথ সার্ভে, ২০১৪ (জিএসএইচএস) অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার ৯ দশমিক ২ শতাংশ।"

কেবল বাংলাদেশেই তামাক ব্যবহারজনিত মৃত্যুতে তামাক কোম্পানিগুলোকে বছরে ১ লাখ ৬১ হাজার ভোক্তা হারাতে হয় বলে জানিয়েছে ‘প্রজ্ঞা’।