পুলিশ দেখে ‘পালানোর চেষ্টা’, মালয়েশিয়ায় ৯ বাংলাদেশি আটক
“গাড়ির চালক স্বীকার করেছেন, তিনি সীমান্ত থেকে প্রত্যেক অভিবাসীকে ভারুতে পৌঁছে দেওয়ার বিনিময়ে ১০০ রিঙ্গিত পেতেন,” ভাষ্য পুলিশের।
অভিবাসনের যথাযথ কাগজপত্র না থাকায় ৯ বাংলাদেশিকে আটক করার তথ্য দিয়েছে মালয়েশিয়ার পুলিশ।
শনিবার সকালে কিলানতান স্টেটের তুমপাত জেলায় এসব বাংলাদেশি পালাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন বলে পুলিশের বরাতে মালয় মেইলের খবরে বলা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে ছিটকে পড়ে। এর আগে সেটি আরেকটি গাড়ি ও একটি বাড়িতে ধাক্কা দেয়।
পড়ে ওই গাড়ি থেকে চালক ও ৯ বাংলাদেশিকে আটক করে পুলিশ।
মালয়েশিয়া পুলিশের জেনারেল অপারেশন ফোর্সের (জিওএফ) দক্ষিণ-পূর্ব ব্রিগেডের কমান্ডার আহমদ রাদজি হুসাইন বলেন, সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তখন জিওএফের একটি দল ওই এলাকায় টহলে ছিল।
রাদজি হুসাইন বলেন, টহল দলটি সন্দেহজনক হলুদ রঙের গাড়ি দেখতে পেয়ে তল্লাশির জন্য থামানোর চেষ্টা করে। তখন গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করেন গাড়ির চালক।
“পরে তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। গাড়িটি সড়ক থেকে ছিটকে একটি গাড়ি এবং একটি বাড়িতে ধাক্কা মারে।”
জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, গাড়িটি স্থানীয় একজন ব্যক্তি চালাচ্ছিলেন। তিনি স্থলপথে মানবপাচারকারী হিসেবে কাজ করছিলেন বলে ধারণা পুলিশের।
তার ভাষ্য, ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করে জিওএফের কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
আহমদ রাদজি হুসাইন, “আটক ব্যক্তিদের বয়স ২০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তারা মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ নথি দেখাতে পারেননি।
“এছাড়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক স্বীকার করেছেন, মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্ত থেকে প্রত্যেক অভিবাসীকে তুলে এনে কোটা ভারুতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি ১০০ রিঙ্গিত করে পেতেন।”
