গণতান্ত্রিক উত্তরণের যাত্রা নতুন বছরে পূর্ণতা পাবে: প্রধান উপদেষ্টা
“সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে নির্বাচন ও গণভোট গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে- নতুন বছরে এটিই আমাদের সবচাইতে বড় প্রত্যাশা,” বলেন তিনি।
পঞ্জিকার পাতা ওল্টালেই নতুন বছর; পুরনো গ্লানি ভুলে নতুন স্বপ্ন, আশা-আকাঙ্ক্ষায় এ বছর শুরুর প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
২০২৬ সালকে স্বাগত জানিয়ে বুধবার দেওয়া বাণীতে তিনি বলেছেন, ‘‘নববর্ষ মানেই নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনার সূচনা। নতুনের এ আগমনী বার্তা আমাদের উদ্বেলিত করে। সব গ্লানি ভুলে সুন্দর আগামীর পথচলার জন্য যোগায় নবোদ্যম ও অনুপ্রেরণা।
“জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন বছর আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থাকে মেরামত করে গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে যে যাত্রা আমরা শুরু করেছি, নতুন বছরে একটি জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনের মধ্য দিয়ে তা পূর্ণতা পাবে বলে আমরা আশা করছি।”
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দেশ ও বিদেশে বসবাসরত সবসকল বাংলাদেশি ও বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
নতুন বছরে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কথা তুলে ধরে বাণীতে তিনি বলেন, “সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে নির্বাচন ও গণভোট গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে- নতুন বছরে এটিই আমাদের সবচাইতে বড় প্রত্যাশা।
‘‘আমি আশা করি, একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা সবাই দেশকে ভালোবেসে মানুষের কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করব। নতুন বছরে সকল চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করে একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলব।”
তিনি বলেন, “নতুন বছর সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবাইকে শুভ নববর্ষ।”
