Published : 26 Sep 2025, 11:27 PM
বাংলাদেশকে স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশের টেকসই সমাধানের জন্য ‘বায়োটেকনোলজি’ নির্ভর ভবিষ্যতের পথে এগোতেই হবে বলে মনে করছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার।
তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত অবক্ষয় স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্থায়িত্বের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বায়োটেকনোলজি কার্যকর সমাধান দিতে পারে।”
শুক্রবার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ও কৃষি বিষয়ক বায়োটেকনোলজি সম্মেলনে শিক্ষা উপদেষ্টা বক্তব্য রাখছিলেন বলে তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে।
গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ বায়োটেকনোলজিস্টস (জিএনওবিবি) এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ ও টেকসই স্বাস্থ্য ও কৃষির জন্য প্রতিকার’।
একইসঙ্গে এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে নিজেদের বৈশ্বিক কার্যক্রমের ২০ বছর পূর্তি উদ্যাপন করছে জিএনওবিবি।
উপদেষ্টা সি আর আবরার বলেন, “আমরা কৃষিকে বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কল্পনা করতে পারি না, আবার পরিবেশগত স্থায়িত্ব ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তার কথাও ভাবতে পারি না। এ আন্তঃসম্পর্কই আমাদের পথ দেখাবে।”
বাংলাদেশের অর্জনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “উচ্চফলনশীল ও সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন, স্থানীয়ভাবে কোভিড-১৯ পরীক্ষার কিট উৎপাদন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মাইক্রোবিয়াল প্রযুক্তির ব্যবহার ইতোমধ্যে আমাদের সাফল্যের গল্প তৈরি করেছে।
“এসব দৃষ্টান্ত আমাদের আরো অনেক দূর এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।”
বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার ‘বায়োটেক হাবে’ রূপান্তর করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।
তিনি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজিকে সমৃদ্ধ করারও প্রস্তাব দেন।
দেশীয় ও প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে এ ইনস্টিটিউটকে পরিচালনা করে একাডেমিক ও শিল্পখাতের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করা সম্ভব হবে বলেও মনে করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।