১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চায় 'নাগরিক সমাজ': সামিনা লুৎফা

রাজনৈতিক দল ও সংবাদমাধ্যমকে এসব অনাচারের বিরুদ্ধে আরো বেশি করে সোচ্চার হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Dec 2025, 02:32 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:21 PM

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির উপর হামলায় জড়িতদের 'দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির' আওতায় আনতে ব্যর্থ হওয়ার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। 

তারা বলেছেন সংবাদমাধ্যম এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা দিতে না পারার দায়ও অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপেদষ্টাকে নিতে হবে।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা সংবাদমাধ্যমের সামনে কথা বলছিলেন। 

শুক্রবার ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর কার্যারয় এবং ছায়ানট ভবনের সামনে গিয়ে তারা হামলার ঘটনার নিন্দা জানান।

একই সাথে রাজনৈতিক দল ও সংবাদমাধ্যমকে এসব অনাচারের বিরুদ্ধে আরো বেশি করে সোচ্চার হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

সেখানে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মানজুর আল মতিন, লেখক ও সরকারের সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ফিরোজ আহমেদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমনসহ অনেকে।

সামিনা লুৎফা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ওসমান হাদিকে গুলি করে মারা হল, অথচ মূল আসামিদের এখনো বিচারের আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে এই সরকার।

"সংবাদ মাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। ছায়ানটে হামলা করা হয়েছে। নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।"

জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গেলে তাকে গুলি করে মোটরসাইকেলে করে আসা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।

গুরুতর আহত হাদিকে সোমবার দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

হাদির মৃত্যুর খবর আসার পর ক্ষোভ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে একদল বিক্ষোভকারী। 

পরে একদল লোক কারওয়ানবাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে এংপরে ডেইলি স্টার ভবনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ করে।

পরে ধানমন্ডিতে ছায়ানট ভবনেও হামলা হয়। সেখানেও ভাঙচুর-লুটপাট চালিয়ে আগুন দেওয়া হয়।