Published : 24 Feb 2026, 01:16 PM
গ্যাসের আগুনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দুর্ঘটনা চলতে থাকার করণীয় ঠিক করতে শিগ্গিরই বৈঠকে বসবে স্বাস্থ্য; শিল্প এবংদুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধদের মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে দেখতে এসে এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
গ্যাসের আগুনকে ‘মানবসৃষ্ট দুর্যোগ’ বর্ণনা করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “আমরা আলোচনা করে দেখেছি, আমাদের গ্যাস লিকেজ থেকে সারা বছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করতে চাই।”
শিল্প এবং স্বাস্থ্যের সঙ্গে তার মন্ত্রণালয় একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, “গ্যাস লিকেজ থেকে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যেসব সিলন্ডার ব্যবহার করা হয়, কীভাবে একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায়, সেগুলো নিয়ে আমরা অল্প সময়ের মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় বসে কাজ করব। যাতে ভবিষ্যতে এ দুর্ঘটনা থেকে কম ক্ষতি হয়, সেই ব্যবস্থাটা করার চেষ্টা করা হবে।”
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, “তিন মন্ত্রণালয় আমরা অতি সত্বর বসতেছি। এটাকে কীভাবে কন্ট্রোলে আনা যায় বা লিকেজ থাকলে কীভাবে দূর করা যায়, অতিসত্তর ব্যবস্থা নিব।”
চট্টগ্রামে হালিশহরের একটি বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, বাকি ৬ জন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এছাড়া মঙ্গলবার সকালে একই হাসপাতালে আনা হয়েছে কুমিল্লার দাউদকান্দির চারজনকে, যারা এদিন ভোরে বাসায় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হয়েছেন।
চট্টগ্রামে দগ্ধদের দেখতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর মঙ্গলবার হাসপাতালে আসার পূর্বনির্ধারিত সূচি ছিল। এ সময় তার সঙ্গে হাসপাতালে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীও।
এ বিষয়ে প্রথমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হাসপাতালে যতগুলো ব্যবস্থা আছে, দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আরো কিছু লাগলে আমি আশ্বস্ত করেছি আমরা সেটার যোগান দেব।
“আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত খেয়াল রাখব, আপনারা দোয়া করবেন।”
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “আমাদের যতটুকু সাপোর্ট দেওয়া দরকার, আমরা দেব।”