Published : 16 Jul 2025, 12:20 AM
বেশ কিছু অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
কমিশনের প্রাথমিক অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ, মানিলন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।
অনুসন্ধান শুরুর তথ্যটি মঙ্গলবার সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুদকের সহকারী পরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-৫) মো. নওশাদ আলী এবং উপ-সহকারী পরিচালক মো. ইমরান আজানকে।
ইতোমধ্যে অনুসন্ধানকারী দলের প্রধান সহকারী পরিচালক নওশাদ আলী বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র চেয়েছেন।
চিঠিতে কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং প্রকল্প সংক্রান্ত অনুমোদনপত্র, আর্থিক বরাদ্দ, টেন্ডার ও চুক্তির নথিপত্রসহ এস এম মনিরুজ্জামান এবং তার পরিবারের ব্যক্তিগত নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।
সব নথি ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে দুদকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের ১২ অগাস্ট চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান এস এম মনিরুজ্জামান।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য বলছে, চেয়ারম্যান হওয়ার আগে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বিএন ফ্লিটের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
এর আগে তিনি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিইডব্লিউ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সেনা কল্যাণ সংস্থার ডিজিএমআইএস ও চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের চিফ স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কুষ্টিয়ায় জন্ম নেওয়া মনিরুজ্জামান ১৯৮৭ সালে কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে একজন অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগদানের পর ১৯৯০ সালে নির্বাহী শাখায় কমিশন লাভ করেন।