১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কার্নিশে ঝোলা তরুণকে গুলি: অভিযোগ গঠনের আদেশ বৃহস্পতিবার

গত ৩১ জুলাই এ মামলার প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Sep 2025, 12:09 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:18 PM

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার রামপুরায় ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি করা এবং দুজনকে হত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে বৃহস্পতিবার আদেশ দেবে আদালত।

বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ মঙ্গলবার এ দিন ঠিক করে।

প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন এবং গ্রেপ্তার আসামি সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন বিবাদীদের অব্যাহতি প্রার্থনা করেন।

এ মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজন আসামি রয়েছেন। বাকিরা হলেন ডিএমপির খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তরিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

আসামিদের মধ্যে চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ৩১ জুলাই ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির কার্যালয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত বছরের ১৯ জুলাই বিকালে রামপুরায় হোটেলে কাজ শেষে ঢাকায় থাকা ফুফুর বাসায় ফিরছিলেন আমির হোসেন। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের দুই পাশে পুলিশ-বিজিবির গাড়ি দেখে ভয়ে পাশে থাকা একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবনের ছাদে ওঠেন তিনি।

ওই সময় পুলিশও তার পিছু পিছু যায়। এক পর্যায়ে জীবন বাঁচাতে ওই নির্মাণাধীন ভবনটির ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকেন আমির। কিন্তু তাকে দেখে ফেলে পুলিশ; পরে তার ওপর গুলি ছোড়ে। এতে তিন তলায় পড়ে গেলে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করেন। এরপর বনশ্রীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওইদিন রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন ভুক্তভোগী এই তরুণ।

রামপুরায় একই দিন ঘটনাস্থলের সামনে আরও দুজনকে গুলি করে হত্যা করার অভিযোগ আনা হয় এই মামলায়।