Published : 20 Jul 2026, 09:56 PM
‘সরবরাহে ঘাটতি থাকায়’ নিজেদের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকার কথা জানিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি।
শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও আবাসিক সংযোগে এ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখপ্রকাশও করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিটি।
তবে কোন কোন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমেছে, সরবরাহে ঘাটতির কারণ কী, কিংবা কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে, বিজ্ঞপ্তিতে সে বিষয়ে জানানো হয়নি।
তিতাসের আওতাধীন এলাকায় দৈনিক প্রায় ২০০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে গত কয়েক দিনে সরবরাহ নেমেছে দেড়শ কোটি ঘনফুটের নিচে।
সেই হিসাবে, চাহিদার তুলনায় দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম পাওয়া যাচ্ছে।
সরবরাহের এ ঘাটতিতে ঢাকা ছাড়াও গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে গ্যাসের চাপ কমেছে। সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থায় ঢাকার অবস্থান শেষের দিকে হওয়ায় সংকট তুলনামূলক বেশি বলে তিতাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মোহাম্মদপুর, মিরপুর, ধানমন্ডি ও ঢাকার আরো কিছু এলাকার বাসিন্দা কয়েক দিন ধরে দিনের বড় সময় গ্যাস না থাকা কিংবা চুলা জ্বালানোর মতো চাপ না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। রান্নার জন্য অনেককে বিদ্যুচ্চালিত চুলা ব্যবহার করতে হচ্ছে; কেউ কেউ বাইরে থেকে খাবার কিনছেন।
তিতাসের তথ্য অনুযায়ী, সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি পুরনো ও ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইনের ছিদ্র দিয়ে বৃষ্টির পানি ঢোকায় ঢাকার কিছু এলাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কম থাকলে বাইরের পানি ছিদ্র দিয়ে ভেতরে ঢোকার সুযোগ তৈরি হয় বলে তাদের ভাষ্য।
আরো পড়ুন