বাচ্চারা রক্ত দিয়ে দেশকে নতুন করে মুক্ত করেছে: শারমীন এস মুরশিদ
“জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছে তাদের ব্যথায় আমরা ব্যথিত। তাদের বিচার আমরাও চাই।”
জুলাই-অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন অন্তবর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।
জুলাই মাসে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যে শিশুরা শহীদ হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত এবং অভিভাবকদের সান্ত্বনা দিয়ে তিনি বলেছেন, “১৫ বছরের জঞ্জাল, সকল অন্যায়, মিথ্যাচার দেখে আসছিল, এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাচ্চারা সেদিন রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে বুকের রক্ত দিয়ে এদেশের মানুষেরকে শিখিয়ে দিয়েছে। দেশকে নতুন করে মুক্ত করেছে।”
উপদেষ্টা বলেন, “জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছে তাদের ব্যথায় আমরা ব্যথিত। তাদের বিচার আমরাও চাই।”
সোমবার ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০২৪’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আনুষ্ঠানে কথা বলছিলেন শারমীন এস মুরশিদ।
তিনি বলেন, “আমরা যদি সত্যিই শিশুদের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যত গড়ে তুলতে চাই, তবে এটি শুধু সরকারের দায়িত্ব নয় বরং প্রতিটি নাগরিকের এবং প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে।
“আমরা আইনি কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছি। বিশ্ব শিশু অধিকার দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে আমরা এমন একটি সমাজ গড়ে তুলবে, যেখানে প্রতিটি শিশু সুরক্ষিত, সম্পূর্ণভাবে বিকশিত হতে পারব।”
এ অনুষ্ঠানে তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ১০৫ জন শিশুর পরিবারের সদস্যদের মাঝে ৫০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড ও সম্মাননাপত্র দেন ।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ এমা ব্রিগাহাম। এছাড়া ফাহিম রহমান ও নাজিয়া আলম মমতা নামের দুটি শিশু অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক তানিয়া রহমান।
