Published : 02 Feb 2026, 12:48 PM
‘দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের’ অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট মামলা করেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী নাহিদ ইসলাম।
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ সোমবার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট মামলা করেন।
কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়েছে সেখানে।
রিট আবদনে কাইয়ুমের বিরুদ্ধে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং নির্বাচনি হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের’ অভিযোগে আনা হয়েছে।
রিটকারীর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, “বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকারকারী ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য।
"জাতীয় নাগরিক পার্টির মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী জনাব নাহিদ ইসলাম, তিনি আজকে একটি রিট মামলা দায়ের করেছেন। একই আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব এম এ কাইয়ুম, তিনি তার হলফনামায় তিনি ভানুয়াতু নামে একটি দেশের নাগরিক, সেই তথ্যটি তিনি গোপন করেছেন। যেটা পরে 'ডিসক্লোজ' হয়েছে এবং সে তথ্যগুলো আপনারা দেখেছেন ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং অন্যান্য মিডিয়ায় আলোচিত হয়েছে, তার পাসপোর্ট দেখা গেছে।"
অ্যাডভোকেট জহির বলেন, "আমরা রিটে রুল ইস্যু চেয়েছি এবং তার যে প্রার্থিতা বহাল করা হয়েছে রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক, সেটিকে আমরা স্থগিত চেয়েছি।"
মঙ্গলবার এ রিট আবেদনের শুনানি করবেন বলে আশা করছেন এই আইনজীবী।
নির্বাচন কমিশনে আপিল না করে সরাসরি হাই কোর্টে রিট দায়েরের আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, “নির্বাচন কমিশনে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই তথ্যটি আমাদের জানা ছিল না। পরবর্তীতে এটি প্রকাশ হয়।
"যেহেতু আপিল করার সময় পার হয়ে গেছে, তাই আমরা সংবিধান অনুযায়ী হাই কোর্টের রিট এখতিয়ারে এসেছি।"
যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম এবং এম এ কাইয়ুম উভয়ের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছিলেন।