যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চীনের গোপন পুলিশ স্টেশন: উদ্বিগ্ন এফবিআই

সেপ্টেম্বরে এনজিও সেফগার্ড ডিফেন্ডারস এর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে চীনের গোপন পুলিশ স্টেশন স্থাপনের কথা বলা হয়। সেখানে ছিল নিউ ইয়র্কের নামও।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 18 Nov 2022, 02:37 PM
Updated : 18 Nov 2022, 02:37 PM

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চীনের গোপন ‍পুলিশ স্টেশন ছড়িয়ে থাকার খবরে উদ্বিগ্ন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।

বিবিসি জানায়, সেপ্টেম্বরে ইউরোপভিত্তিক এনজিও সেফগার্ড ডিফেন্ডারস এর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে চীনের গোপন পুলিশ স্টেশন স্থাপনের কথা বলা হয়। সেখানে ছিল নিউ ইয়র্কের নামও।

এফবিআই পরিচালক ক্রিস্টোফার রে ঊর্ধ্বতন রাজনীতিবিদদের বলেছিলেন, গোয়েন্দা সংস্থাটি গোটা দেশে এধরনের পুলিশ স্টেশন থাকার খবরের ওপর নজর রাখছে।

“আমরা এই সমস্ত স্টেশনের বিষয়ে সজাগ রয়েছি,” বলেছিলেন তিনি।

চীনের এই পুলিশ ইউনিটগুলো দৃশ্যত আন্তর্জাতিক অপরাধ সামাল দেওয়া এবং চীনের চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার মতো প্রশাসনিক কিছু কাজের জন্য চালু করা হয়েছে।

কিন্তু সেফগার্ড ডিফেন্ডারস বলছে, বাস্তবে এসব পুলিশ ইউনিট দমনাভিযান চালাচ্ছে। বিশেষ করে চীনের শাসনের বিরুদ্ধে কথা বলছে এমন কাউকে সন্দেহ হলে তাকে দেশে ফিরতে জবরদস্তি করা হচ্ছে।

এফবিআই পরিচালক ক্রিস্টোফার রে বলেছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। এই স্টেশনগুলো যুক্তরাষেট্রর আইন লঙ্ঘন করে কিনা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আইনের দিকগুলো তিনি খতিয়ে দেখছেন।

সেফগার্ড ডিফেন্ডারস তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, চীনের দুটো প্রদেশের জননিরাপত্তা ব্যুরো ৫ টি মহাদেশজুড়ে এবং ২১ টি দেশে ৫৪ টি ‘বৈদেশিক পুলিশ সেবা কেন্দ্র’ খুলেছে।

এগুলোর বেশিভাগই খোলা হয়েছে ইউরোপের দেশগুলোতে। এর মধ্যে স্পেনে ৯ টি, ইতালিতে চারটি এবং যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ২ টি ও গ্লাসগোতে ১ টি স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। আর উত্তর আমেরিকায় এরকম পুলিশ স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে টরেন্টো এবং নিউ ইয়র্কে।

তবে চীন বিদেশে এ ধরনের পুলিশ স্টেশন পরিচালনার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক