গাজার বেসামরিকদের ‘নিরাপদ প্রস্থানের পথ’ নিয়ে আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেইক সালিভান বলেছেন, ‘আমরা এই বিষয়টিতে মনোযোগ দিয়েছি, এ নিয়ে শলাপরামর্শ চলছে।’
ফিলিস্তিনি ছিটমহল গাজায় ইসরায়েলের ধারাবাহিক বোমা হামলার মধ্যে ভূখণ্ডটির বেসামরিক বাসিন্দাদের জন্য ‘নিরাপদ প্রস্থানের পথ’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও মিশরের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
হোয়াইট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেইক সালিভান বলেছেন, “আমরা এই বিষয়টিতে মনোযোগ দিয়েছি, এ নিয়ে শলাপরামর্শ চলছে।”
বিবিসি জানিয়েছে, সালিভান আর বিস্তারিত কিছু জানাননি, শুধু বলেছেন ‘সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে’ আলোচনা চলছে।
শনিবার ভোরে হামাসের অপ্রত্যাশিত ব্যাপক হামলার শিকার হওয়ার পর থেকে গাজায় তীব্র পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল, চলমান এ সহিংসতায় ইতোমধ্যে দুই হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
ইসরায়েলে হামাসের আক্রমণে নিহতের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনে হামাসের এই হামলাকে ‘পুরোপুরি মন্দ’ কাজ বলে অভিহিত করেছেন।
শনিবার সকাল থেকে গাজা ভূখণ্ডে শুরু হওয়া ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত ও ৪৬০০ জন আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘ জানিয়েছে, চারদিন ধরে চলা ইসরায়েলের আকাশ হামলায় গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে দুই লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি ইতোমধ্যে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
গাজার ফিলিস্তিনিরা বলছেন, ইসরায়েল মারাত্মক বোমা হামলা চালাচ্ছে এবং পরিস্থিতিকে নতুন ‘নাকবা’র মতো মনে হচ্ছে। ‘নাকবা’ একটি আরবী শব্দ, এর অর্থ ‘বিপর্যয়’। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভেঙে ইসরায়েল সৃষ্টির সময় নিজ ভূমি হারিয়ে ফিলিস্তিনিরা যে বিপর্যয়কর পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল ‘নাকবা’ বলতে তাই বোঝানো হয়েছে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা বোমা হামলা চালিয়ে হামাসের দুইজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে।
গাজার পাশাপাশি লেবানন সীমান্তেও ফের গোলা বিনিময় হয়েছে বলে ইসরায়েল জানিয়েছে। এর পাশাপাশি সিরিয়া থেকে ছোড়া গোলারও তারা জবাব দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি।
আরও পড়ুন:
