ফিলিপিন্সের উত্তরাঞ্চলে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প
সাগরের তলদেশের ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি বলে ফিলিপাইন সিসমোলজি এজেন্সি জানিয়েছে।
ফিলিপিন্সের মূল দ্বীপ লুজনে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সাগরের তলদেশের ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি বলে ফিলিপাইন সিসমোলজি এজেন্সি জানিয়েছে।
ভূমিকম্পে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের সময় রাজধানী ম্যানিলায় কিছু ট্রেনের চলাচল বিঘ্নিত হয়।
দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে ম্যানিলার তিনটি এলিভেটেড রেলওয়ে লাইন বন্ধ রাখা হয়েছিল।
ফিলিপিন্সের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মুখপাত্র বের্নার্দো রাফালিতো আলেহান্দ্রো জিএমএ নিউজ চ্যানেলকে বলেন, “রেলওয়ে ও বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ পর্যন্ত ভূমিকম্পের কারণে হওয়া বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি আর এমনটিই থাকবে বলে আশা করছি আমরা।”
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক জানিয়েছেন, ম্যানিলার বাণিজ্যিক এলাকায় একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর ফিলিপিন্সের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখনই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়; এ সময় ওই হোটেলের সিলিংয়ের লাইটগুলোকে দুলতে দেখা যায়।
ভূমিকেম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরের শহর কালাতাগানের মেয়র পিতার অলিভার প্যালাসিও ডিজেডএমএম রেডিওকে জানান, ভূমিকম্পে অনেকেই হতভম্ব হয়ে পড়েছিল। নগরীর প্রকৌশল বিভাগকে ক্ষয়ক্ষতি পরীক্ষা করে দেখার নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।
ফিলিপাইন সিসমোলজি এজেন্সি প্রথমে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬ দশমিক ২ রেকর্ড করেছিল, কিন্তু পরে তা সংশোধন করে ৬ দশমিক ৩ বলে জানায়। তারা ক্ষয়ক্ষতি ও পরাঘাতের আশঙ্কা করছে বলে জানিয়েছে।
