সদস্যপদের জন্য ইউক্রেইনকে ৯ নেটো সদস্যের সমর্থন

এই ৯ সদস্যদেশ হচ্ছে- চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুনিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, মন্টিনিগ্রো, পোল্যান্ড, রুমানিয়া এবং স্লোভাকিয়া।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 Oct 2022, 03:06 PM
Updated : 3 Oct 2022, 03:06 PM

পশ্চিমা সামরিক জোট নেটোতে ইউক্রেইনের সদস্যপদ পাওয়ার চেষ্টায় সমর্থন দিয়েছে জোটটির ৯ ইউরোপীয় সদস্য দেশ।

দেশগুলো হচ্ছে- চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুনিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, মন্টিনিগ্রো, পোল্যান্ড, রুমানিয়া এবং স্লোভাকিয়া।

এই ৯ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা এক যৌথ বিবৃতিতে ইউক্রেইনকে সমর্থন দিয়েছেন এবং কিইভের জন্য সামরিক সহায়তা জোরদার করতে নেটোর ৩০ টি দেশকেই আহ্বান জানিয়েছেন।

ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত শুক্রবার হঠাৎ করেই দ্রুত নেটো সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদনের পথে হাঁটার কথা জানান।

টেলিগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওতে জেলেনস্কি বলেন, “আমরা এরই মধ্যে (নেটো) জোটের মানদণ্ড অনুযায়ী আমাদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছি। আমরা এখন নেটোতে যোগদান ত্বরান্বিত করতে ইউক্রেইনের পক্ষ থেকে আবেদন সইয়ের চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছি।”

তবে ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ জানায়, ইউক্রেইনের নেটো সদস্যপদ পেতে হলে তাতে জোটের ৩০ দেশেরই অনুমোদন লাগবে। তাই দেশটির সদস্যপদ খুব শিগগিরই পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া, যুদ্ধে লিপ্ত থাকার কারণে ইউক্রেইনের নেটো সদস্যপদের আবেদন নিয়ে জটিলতাও আছে।

ইউক্রেইনের সদস্যপদকে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের যে দেশগুলো সমর্থন দিয়েছে তাদের আশঙ্কা, রাশিয়াকে ইউক্রেইন যুদ্ধে থামানো না গেলে পরে তারা নিজেরাই রাশিয়ার নিশানায় পরিণত হতে পারে।

সেকারণে, দেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেইনের প্রতিরক্ষাকে সমর্থন জানিয়ে সেখানে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং রাশিয়াকে অবিলম্বে ইউক্রেইনের সব অধিকৃত এলাকা থেকে সরে যাওয়ার দাবিও জানিয়েছে ওয়েবসাইটে রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে।

একইসঙ্গে দেশগুলোর নেতারা নেটোতে ইউক্রেইনের ভবিষ্যৎ সদস্যপদ সংক্রান্ত ২০০৮ সালের বুখারেস্ট সম্মেলনের সিদ্ধান্তকেও জোরাল সমর্থন দিয়েছেন।

২০০৮ সালের ওই সম্মেলনে নেটো সদস্যরা ইউক্রেইন এবং জর্জিয়ার নেটো জোটে যোগদানের আকাঙ্খাকে স্বাগত জানিয়েছিল। তবে এই দুই দেশকে কবে নাগাদ নেটো সদস্য করে নেওয়া হতে পারে তার সুস্পষ্ট কোনও সময়সীমা উল্লেখ করেনি।

রোববার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতেও এ সম্পর্কিত কোনও সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক