১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

নেপাল অংশের হিমবাহ ধসেই বন্যা, বলছে চীন

বিদেশি এবং চীনা নাগরিকদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথাও বলেছে বেইজিং।

নেপাল অংশের হিমবাহ ধসেই বন্যা, বলছে চীন
ছবি: সাইথ চায়না মর্নিং পোস্ট

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Aug 2026, 12:13 AM

Updated : 16 Sep 2026, 05:11 PM

তিব্বত থেকে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপাল ও চীনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রাণহানির পেছনে বেইজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন যে প্রশ্ন উঠেছে তা নাকচ করেছে চীন। নেপালের চীন দূতাবাস জোর দিয়ে বলেছে, নেপালের একটি উচ্চভূমির হিমবাহ ধসে পড়ার কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

শুক্রবার রাতে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে এক বিবৃতিতে নেপালের চীন দূতাবাস বলেছে, তারা বিদেশি এবং চীনা নাগরিকদের অনুসন্ধান ও উদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

এর আগে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের চীনা অংশে একটি ভূমিধস প্রতিরক্ষা বাঁধ ধসে এই বিপদ তৈরি করেছে কিনা, সে প্রশ্ন তোলা হয়। চীনের ভূখণ্ডে বিপদের পূর্বাভাস পাওয়া গেলে আগাম সতর্কতা দিয়ে ভাটির দিকে মানুষের প্রাণহানি কমানো সম্ভব ছিল কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়।

বৃহস্পতিবারও এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে নেপালের চীন দূতাবাস। তাদের পক্ষ থেকে আগাম সতর্কতা না দেওয়ার কারণে নেপালের দিকে প্রাণহানি হয়েছে, এমন দাবিকে ‘ভুয়া’ বর্ণনা করে তারা বলেছে, “২৬ অগাস্ট সকালে নেপাল প্রান্তে একটি ভূমিকম্প বা ভূমিকম্পের মত হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে। এতে সৃষ্ট বিশাল কাদার স্রোতে জিরং-রাসুয়া সীমান্ত অঞ্চলের নেপাল ও চীন উভয় পাশেই ব্যাপক হতাহত এবং নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।”

দুর্যোগের সময় দোষারোপ কাজে আসে না বরং সহযোগিতাই জীবন বাঁচায় বলেও মন্তব্য করে তারা। 

বুধবার সকালে উত্তর নেপালের পাহাড়ি ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এর জেরে তিব্বত সীমান্তের কাছে রসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, সীমান্ত এলাকায় কাদা, পাথর ও পানির প্রবল স্রোত বহু মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা শুক্রবার রাত পর্যন্ত ৫৭৯ জনে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে নেপাল ও চীনা কর্মকর্তাদের ধারণা।