১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
আরেক বার্তায় শোক জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
বর্তমানে টাইফুন বাভির শক্তি কিছুটা কমে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ে পরিণত হলেও, এতে থাকা বিপুল পরিমাণ জলীয়বাষ্পের কারণে ভারি বৃষ্টি ও বন্যার ঝুঁকি রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে পর্যটন জেলা কক্সবাজারে, সেখানে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার পর্যন্ত এ অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে।
ভূমিধসের পর মোট ৩৩ জন মাটিচাপা পড়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
লাওসের একটি গুহায় স্বর্ণের খোঁজে গিয়ে আটকা পড়া সাতজনের মধ্যে অন্তত পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধারকারীরা খুঁজে পেয়েছেন। ভারী বৃষ্টির পর ভূমিধসে গুহার পথ বন্ধ হয়ে গেলে তারা আটকা পড়েন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন থাইল্যান্ডের অভিজ্ঞ ডুবুরিরা।
তুমুল বৃষ্টির কারণে হড়কা বান ও ভূমিধসের একাধিক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে; ২ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।