১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘রাতেই ইরানে কঠোর আঘাত হানব’, যুদ্ধবিরতি শেষের ঘোষণার পর ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

তুরস্কের আঙ্কারায় নেটো সম্মেলনে সাংবাদিকদেরকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, বুধবার রাতেই তিনি ইরানের ওপর কঠোর আঘাত হানতে চলেছেন।

‘রাতেই ইরানে কঠোর আঘাত হানব’, যুদ্ধবিরতি শেষের ঘোষণার পর ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Jul 2026, 09:22 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:37 PM

ইরানে বুধবার রাতেই আবার কঠোর সামরিক হামলা চালানো হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

উপসাগরে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার পর ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘পুরোপুরি শেষ হয়েছে’ বলে ঘোষণা দেওয়ার কয়েকঘণ্টা পর তিনি এই হুঁশিয়ারি দিলেন।

তুরস্কের আঙ্কারায় নেটো সম্মেলনে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি একটি ছোট সতর্কবার্তা দিয়ে রাখছি, আজ (বুধবার) রাতেই আমরা তাদের (ইরান) ওপর খুব কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি।”

তিনি অভিযোগ করেন, “তারা (ইরান) প্রতিদিনই চুক্তি লঙ্ঘন করছে।” এর আগে আঙ্কারাতেই দেওয়া অপর এক বক্তব্যে ট্রাম্প সাফ জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্মারকটি এখন পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে।

ওয়াশিংটন আবার নতুন করে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে কি না, কিংবা দুই পক্ষের মধ্যকার আলোচনা বজায় থাকবে কি না, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনও আভাস দেননি।

শান্তিচুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য, “আমাদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কোনও চুক্তি হবে কি না তা আমি জানি না। কোনো চুক্তি ছাড়াই হয়ত আমরা এটি (হামলা) করব।”

এদিকে, দুই দেশের এই নতুন সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ইতিমধ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

মূলত হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছিল। যার পাল্টা জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান।

এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও সার্বিক সুরক্ষা নিয়ে বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যার প্রভাবে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত সর্বশেষ ‘শিপিং ডাটা’ অনুযায়ী, অন্তত চারটি বড় তেল ও গ্যাস ট্যাংকার ওই বিপজ্জনক জলপথ অতিক্রম করার ঝুঁকি না নিয়ে মাঝপথ থেকেই ফিরে গেছে।