১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

উপকূলে হুতিরা, নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে লোহিত সাগর?

“হুতিদের হাতে বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়া ইরানের জন্য বড় ধরনের সুবিধা,” বলেন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলম সালেহ।

উপকূলে হুতিরা, নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে লোহিত সাগর?
হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের উপকূল কব্জা করার পর ইয়েমেনের সানায় তাদের সমর্থকদের উদযাপন। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 13 Sep 2026, 09:03 AM

Updated : 17 Sep 2026, 02:59 AM

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সে দেশের লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মান্দেবের প্রবেশদ্বার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী।

বৃহস্পতিবার হুতিরা বন্দরনগরী মোখা দখল করে নেয়। তাদের দ্রুতগতির এ অভিযান শুক্রবারও অব্যাহত ছিল।

ওই দিন সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে বৃহস্পতিবার কয়েক দফা হামলার পর দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

হুতিদের অব্যাহত অভিযান ও সৌদি আরবে হামলার ঘটনা ইয়েমেন সরকারের ওপর বড় ধরনের আঘাত এসেছে।

ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে প্রতিবেশী সৌদি আরব।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর হুতিদের এই সাফল্য পশ্চিম এশিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক পরিবর্তনগুলোর একটি।

এ অভিযান সৌদি আরব ও দেশটির তেল রপ্তানির ওপর বিশেষভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। 

বছরের শুরুতে লোহিত সাগরে সৌদি পতাকাবাহী জাহাজ চলাচলে অবরোধ ঘোষণা করেছিল হুতিরা। এখন বাব আল-মান্দেব বন্দর ও নৌপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উপসাগরের প্রবেশমুখে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার পর সৌদি আরব তেল রপ্তানির জন্য বাব আল-মান্দেবের ওপর ক্রমেই বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

কিন্তু হুতিরা লোহিত সাগর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে?

আন্তর্জাতিক চাপের তোয়াক্কা না করে ইয়েমেনের সানায় সক্রিয় হুতি যোদ্ধারা—যাদের সরাসরি মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে বিশ্ব জলপথের নিরাপত্তা। ছবি: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক চাপের তোয়াক্কা না করে ইয়েমেনের সানায় সক্রিয় হুতি যোদ্ধারা—যাদের সরাসরি মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে বিশ্ব জলপথের নিরাপত্তা

ইয়েমেনে কী ঘটছে?

২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে। ওই বছর হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা এবং বন্দরনগরী হুদাইদা দখল করে সরকারকে সরে যেতে বাধ্য করে।

ইরানের সমর্থন নিয়ে হুতিরা এরপর সৌদি আরব-সমর্থিত পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সামরিক জোটের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে। ওই জোট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের সদর দপ্তর এডেনে।

ইরানের প্রভাব বাড়তে থাকায় তা ঠেকানো এবং ইয়েমেন সরকারকে পুনর্বহালের লক্ষ্যে ২০১৫ সালে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে সৌদি আরব।

২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে লড়াই থামলেও এরপর থেকে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ চলছে। 

গত সপ্তাহে নতুন করে লড়াই শুরু হয়, যা কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র সংঘাতগুলোর একটি। 

লোহিত সাগর উপকূল দখলের লক্ষ্য ধরে হুতিরা বিভিন্ন অবস্থানে হামলা চালায়। জবাবে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীও পাল্টা আক্রমণ চালায়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ চলার মধ্যে জুলাইয়ে সৌদি আরবের ওপর পূর্ণাঙ্গ নৌ অবরোধ ঘোষণা করে হুতিরা। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলা শুরু করে তারা।

সরু এই প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এটি সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগরের সঙ্গে এডেন উপসাগরকে যুক্ত করেছে। প্রতিদিন বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ এ পথ দিয়ে চলাচল করে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে ইরানের ওপর হামলা শুরুর আগে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে হতো, ইরান সেটি বন্ধ করে দেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব দিয়ে জাহাজ চলাচলের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা। ছবি: রয়টার্স

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা

সৌদির জন্য হুতিদের অগ্রগতির কী প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, বাব আল-মান্দেব করিডরের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আরও তীব্র করতে পারে। এতে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ—দুই ক্ষেত্রেই চাপ বাড়তে পারে।

সৌদি আরবের জন্য এর অর্থ হতে পারে তেল রপ্তানিতে আরও বড় ধাক্কা।

ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করার পর সৌদি আরব দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট অপরিশোধিত তেল পাইপলাইন আরও বেশি ব্যবহার করছে। আবকাইক তেলক্ষেত্র থেকে বিশাল আরব উপদ্বীপ পেরিয়ে এই পাইপলাইন লোহিত সাগরের পশ্চিম উপকূলের ইয়ানবু বন্দরে গিয়ে শেষ হয়েছে। ফলে উপসাগর দিয়ে না পাঠিয়ে লোহিত সাগর হয়ে তেল রপ্তানি করা সম্ভব।

হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্ন সৃষ্টি হলে যাতে বিকল্প পথে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা যায় সে জন্য ১৯৮০-এর দশকে পাইপলাইনটি তৈরি করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে হুতিদের ড্রোন হামলার সময় এটি সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর সৌদি আরব পাইপলাইনটির সক্ষমতা বাড়িয়ে পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার শুরু করেছে। এর ফলে আগে যেখানে প্রতিদিন ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা যেত, এখন সেখানে দেশের ভেতর দিয়ে লোহিত সাগর উপকূলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পাঠানো সম্ভব।

এর ফলে যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় বাব আল-মান্দেব দিয়ে সৌদি তেল পরিবহন ২১ শতাংশ বেড়েছে।

এর পাল্টায় লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারকে নিশানা করেছে। এখন পুরো ইয়েমেন উপকূল এবং বাব আল-মান্দেব তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় সৌদি তেল রপ্তানিতে আরও বড় ধাক্কা আসতে পারে।

ইরানের কী লাভ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে নতুন একটি বড় ফ্রন্ট খুলতে চাইছে হুতিরা। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান অচলাবস্থায় তেহরানের হাতে তারা গুরুত্বপূর্ণ একটি কৌশলগত সুবিধা তুলে দিচ্ছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র—দুই দেশই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকার দাবি করছে। তবে ওই পথে জাহাজ চলাচল অনেক কমে যাওয়ায় পর্যবেক্ষকদের ধারণা, সেখানে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।

হুতিদের মাধ্যমে বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ সেই অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করছে।

অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক আলম সালেহ বলেন, “এর অর্থ কার্যত ইরানের হাতে এখন হরমুজ প্রণালি এবং ‘হরমুজ প্রণালী প্লাস’—দুই পথেরই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।”

এতে ওয়াশিংটনের ওপর চাপও বাড়ছে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে এরই মধ্যে ব্যাপক অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটাররা রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন, ওই সময়ের আগে যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম।

অধ্যাপক সালেহ বলেন, তেহরানকে চাপ দিতে হামলার পাশাপাশি কঠোর অর্থনৈতিক চাপের কৌশল নিয়েছে ওয়াশিংটন। কিন্তু পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে সময় ক্রমেই কমে আসছে।

তার মতে, “হুতিদের এই বিজয় শুধু ইরানের পক্ষে শক্তির ভারসাম্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে দেয়নি, চীন ও রাশিয়ার মতো অন্য শক্তিগুলোকেও বার্তা দিচ্ছে যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির প্রভাব কমছে।

“ইরান এখন বৈশ্বিক তেলের দাম ও জ্বালানি নিরাপত্তার কার্ড খেলেছে। তাই হুতিদের হাতে বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়া ইরানের জন্য বড় ধরনের সুবিধা।”

লোহিত সাগর নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হুতিরা?

বিশ্লেষকদের মতে, বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর পরাজয় অনেকটা হুতিদের হাতে সহজেই তুলে দেওয়া হয়েছে।

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীতে আনুমানিক ৩ লাখ সদস্য রয়েছে। বিপরীতে হুতিদের সদস্য সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার।

তবে অভ্যন্তরীণ বিভক্তি এবং সৌদি আরবের বাইরের চাপের কারণে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর অবস্থান অত্যন্ত খণ্ডিত। 

হুতিদের মতো দ্রুতগতির ও কৌশল বদলাতে সক্ষম একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য যে সমন্বয় প্রয়োজন, তা তাদের নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি হুতিদের বিষয়ে বলেন, প্রায় এক দশক আগে সৌদি বাহিনী যে শক্তির বিরুদ্ধে লড়েছিল, বর্তমান হুতি বাহিনী তার তুলনায় সম্ভবত আরও উন্নত একটি যুদ্ধশক্তি।

হুতি যোদ্ধারা। ছবি: রয়টার্স

হুতি যোদ্ধারা

গত কয়েক বছরে ইরানের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা-সহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র পাওয়ায় হুতিরা বড় ধরনের অস্ত্রভাণ্ডার গড়ে তুলেছে, বলেন তিনি।

তবে কিংস কলেজ লন্ডনের সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ আল জাজিরাকে বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে সাফল্য পেলেও শাসন পরিচালনায় হুতিরা ‘ভয়াবহ’ এবং বাব আল-মান্দেবে দীর্ঘমেয়াদী অবরোধ ধরে রাখার সম্ভাবনা কম।

তার মতে, হুতিদের অগ্রযাত্রার কারণ তাদের অবমূল্যায়ন নয়; বরং সৌদি-সমর্থিত জোটের সক্ষমতাকে অতিরিক্ত মূল্যায়ন করা হয়েছিল।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সালেহ বলছেন, নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য হুতিদের পুরো বাব আল-মান্দেব কিংবা পুরো লোহিত সাগরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রয়োজনও নেই।

তার মতে, “সামান্য ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি করাই জাহাজ চলাচলকারী কোম্পানি ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট। 

“তারা যদি মনে করে প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল খুব ঝুঁকিপূর্ণ, তাহলেই হুতিদের উদ্দেশ্য অনেকটা সফল হবে।”

এখন প্রশ্ন, নিজেদের বিমান শক্তি ব্যবহার করে সৌদি আরব হুতিদের অগ্রযাত্রা কার্যকরভাবে ঠেকাতে পারবে কি না।

হুতি যোদ্ধারা। ছবি: রয়টার্স

হুতি যোদ্ধারা

গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি বাহিনী মোখাসহ হুতিদের নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন এলাকায় কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। তবে তাতে হুতিদের অভিযান থামার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে সই হওয়া মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিও এখনই কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম। 

কারণ ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ুক—এমন ঝুঁকি নিতে চায় না দেশগুলো।

ওয়াশিংটনের সহায়তাও আপাতত অনিশ্চিত। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে দুবার ফোন করে হুতিদের ওপর মার্কিন বিমান হামলার অনুরোধ করেছিলেন। তবে ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন।