২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭ আশ্বিন ১৪৩৩

কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় নিহত ১, কূটনৈতিক মিশন ক্ষতিগ্রস্ত

কুয়েতের বিমানবন্দরে মারা যাওয়া ব্যক্তিকে ভারতীয় নাগরিক বলে শনাক্ত করা হয়েছে। আরও কয়েকজন ভারতীয় আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।

কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় নিহত ১, কূটনৈতিক মিশন ক্ষতিগ্রস্ত
ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Jun 2026, 10:33 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:20 PM

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত এবং ৬০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

বুধবারের এই হামলাকে ‘ইরানের অপরাধমূলক আগ্রাসন’ বলে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয়। কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় কূটনৈতিক মিশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কুয়েতের বিমানবন্দরে মারা যাওয়া ব্যক্তিকে পরবর্তীতে ভারতীয় নাগরিক বলে শনাক্ত করা হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং আরও কয়েকজন ভারতীয় আহত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ ধরনের হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

ওদিকে, ইরানের এই হামলার পর কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দুই ইরানি কর্মকর্তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দেশটি ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং ইরানের চাজ্য দ্য অ্যাফেয়ার্সকে ডেকে পাঠিয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এ হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, ইরানের তেল ট্যাংকার এবং কাশেম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কুয়েতে এই হামলা চালিয়েছে তারা।

মার্কিন বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরান দুটো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে কুয়েতে এবং তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বাহরাইনে। এর সবগুলোই ধ্বংস হয়েছে কিংবা ঠেকানো হয়েছে।

ইরান বলছে, তারা আঞ্চলিক দেশটির মার্কিন ঘাঁটি এবং হেলিকপ্টারের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পাল্টা জবাবে।

সেন্টকম এর আগে জানিয়েছিল, তারা হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের মধ্যে ইরান অভিমুখে অগ্রসর হওয়া একটি খালি তেল ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে।

 বতসোয়ানার পতাকাবাহী ওই ট্যাংকারটির নাবিকরা বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর সেটির ইঞ্জিন লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান থেকে হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।

এই হামলার পর ইরানের আইআরজিসি তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করে বলেছিল, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চড়া মূল্য দিতে হবে মার্কিন বাহিনীকে।