গাজায় চিকিৎসকরা ইসরায়েলের ‘অমানুষিক নির্যাতনের শিকার’
ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) গাজায় হাসপাতালে অভিযানের সময় চিকিৎসাকর্মীদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ইসরায়েলি সেনারা গত মাসে গাজার একটি হাসপাতালে অভিযান চালানোর পর চিকিৎসাকর্মীদের চোখবেঁধে আটকে রাখে, নগ্ন হতে বাধ্য করে এবং তাদের ক্রমাগত প্রহার করা হয়ে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গাজার কয়েকজন ফিলিস্তিনি চিকিৎসক বিবিসির কাছে এ অভিযোগ করেছেন।
তাদের একজন আহমেদ আবু সাবহা, তিনি নাসের হাসপাতালের এক চিকিৎসক। তিনি বলেন, তাকে এক সপ্তাহ আটকে রাখা হয়েছিল। তার উপর মুখবন্ধ কুকুর লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং একজন ইসরায়েলি সেনা তার হাত ভেঙে দেয়।
তার মত একই ধরণের নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন আরো দুই চিকিৎসক। কিন্তু পুনরায় নিপীড়নের শিকার হতে পারেন এমন ভয় থেকে তারা তাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি।
তারা বিবিসিকে বলেন, তাদেরকে হেনেস্তা করা হয়েছে, মারধর করা হয়েছে, ঠান্ডা পানিতে চুবানো হয়েছে এবং অস্বস্তিকর অবস্থানে হাঁটুগেড়ে থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। মুক্তির আগে কয়েক দিন তাদের আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়।
বিবিসি এই চিকিৎসকদের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এর কাছে পাঠিয়েছে। এসব নিয়ে বিবিসি থেকে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে আইডিএফ তার উত্তর দেয়নি কিংবা খারাপ আচরণ করার অভিযোগ অস্বীকারও করেনি।
তবে তারা তাদের অভিযানের সময় চিকিৎসাকর্মীদের ক্ষতি করার কথা অস্বীকার করেছে।
বলেছে, “বন্দিদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা আইডিএফ এর নির্দেশের পরিপন্থী এবং কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।”
