১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

করাচিতে শপিং মলে আগুনে নিহত অন্তত ৬, আহত ২০

আগুন এখনো নেভানো যায়নি।

করাচিতে শপিং মলে আগুনে নিহত অন্তত ৬, আহত ২০
শনিবার রাতে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ সড়কের গুল প্লাজায় আগুন লাগার পর অল্প সময়ের মধ্যে তা পুরো মলে ছড়িয়ে পড়ে। ছবি: ডন

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Jan 2026, 01:34 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:35 PM

পাকিস্তানের করাচির একটি শপিং মলে আগুনে অন্তত ৬ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

শনিবার রাতে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ সড়কের গুল প্লাজায় আগুন লাগার পর অল্প সময়ের মধ্যে তা পুরো মলে ছড়িয়ে পড়ে বলে ডনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। 

রোববার সকাল পর্যন্ত আগুন নেভানো সম্ভব হয়নি, তার মধ্যেই উদ্ধার অভিযান চলছে। 

সিভিল হাসপাতাল ট্রমা সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. সাবির মেমন প্রাথমিকভাবে তিনটি মৃতদেহ তার প্রতিষ্ঠানে আনা হয়েছিল বলে জানান। 

হাসপাতালে যখন আনা হয়, তখন ওই তিনজনের কেউই জীবিত ছিলেন না, বলেছিলেন তিনি। 

রোববার সকালে সাউথ ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল সায়েদ আসাদ রাজা মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫-এ দাঁড়িয়েছে বলে ডনকে নিশ্চিত করেন।

গুল প্লাজা শপিং মলে এক হাজার ২০০-র কাছাকাছি দোকান ছিল। ছবি: ডন

গুল প্লাজা শপিং মলে এক হাজার ২০০-র কাছাকাছি দোকান ছিল

রেসকিউ ১১২২ এর মুখপাত্র হাসানুল হাসিব খানও ৫ জনের মৃত্যু ও ২০ জন আহত হওয়ার খবর জানান। পরে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত ইধি ফাউন্ডেশন আরও একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।

রোববার সকাল পর্যন্ত আগুনের ৩০ শতাংশের মতো নিয়ন্ত্রণে এসেছে, বলেছেন হাসিব।  

ওই শপিং মলে এক হাজার ২০০-র কাছাকাছি দোকান ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, “সেখানে বিভিন্ন দোকানে বাসনপত্র, কাপড়, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্রসাধন সামগ্রী ও পারফিউম ছিল, যে কারণে আগুন আরও তীব্রভাবে ছড়াতে পেরেছে।”

রোববার সকালে একাধিক বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানের ২০টি গাড়ি আগুন নেভাতে কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

“কিন্তু ভবনটি পুরনো মনে হচ্ছে, আগুনে সেটি যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে সেরকম শঙ্কাও রয়েছে। তাই খুব সাবধানে উদ্ধার অভিযান চালাতে হচ্ছে,” বলেছেন তিনি। 

শপিং মলের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে আগে ডনকে তিনি জানিয়েছিলেন। 

গার্ডেন সাব-ডিভিশনাল পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) মহসিন রেজা শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে জানান, কোনো এক দোকানে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মনে হচ্ছে, পরে তা পুরো শপিং মলে ছড়িয়ে পড়ে। 

আগুনে শপিং মলের একটি অংশ ধসে পড়েছে বলে জানিয়েছে ইধি ফাউন্ডেশন।