২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়া: অত্যাধুনিক হাওউৎজার কামানের গোলাবর্ষণের অনুশীলন

রাজস্থানের মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে গত বুধবার গোলাবর্ষণের এ মহড়া হয়।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়া: অত্যাধুনিক হাওউৎজার কামানের গোলাবর্ষণের অনুশীলন

ছবি: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 20 Sep 2026, 05:27 PM

Updated : 20 Sep 2026, 05:27 PM

ভারত ও ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলা সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস’-এ উভয় দেশের সেনা সদস্যরাই অত্যুাধুনিক এম৭৭৭ আল্ট্রা লাইট হাওউৎজার কামান দিয়ে নির্ভুল লক্ষ্যে গোলাবর্ষণের প্রদর্শনী করেছে।

ভারতের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাজস্থানের মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে গত বুধবার ভারতীয় ও মার্কিন সেনারা এ গোলাবর্ষণের অনুশীলন করেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া রোববার এক খবরে বলেছে, অনুশীলনে উভয় বাহিনীর আর্টিলারি সক্ষমতা এবং যৌথ কৌশলগত সমন্বয় তুলে ধরা হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় আর্টিলারি দলের সদস্যরা এম৭৭৭ হাওউৎজার কামান দিয়ে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যে গোলাবর্ষণের সক্ষমতা প্রদর্শন করে।

এম৭৭৭ আল্ট্রা লাইট হাওউৎজার হালকা ওজনের অত্যাধুনি শক্তিশালী কামান; যা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫৫ মিলিমিটারের দূরে লক্ষ্যে গোলাবর্ষণ করা যায়। এটি মূলত ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর নকশাকৃত দূরপাল্লার অস্ত্র, যা বর্তমানে চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হয়। প্রথাগত ভারী কামানের তুলনায় এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা হওয়ায় একে ‘আল্ট্রা লাইট’ বা অতি হালকা বলা হয়ে থাকে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, গোলাবর্ষণের সফল অনুশীলনের পর সফররত মার্কিন সেনারা ভারতের সেনা সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং যুদ্ধের অভিজ্ঞতা, কৌশল ও কার্যপদ্ধতি আদান-প্রদান করেন। মূলত এম৭৭৭ হাওউৎজার ব্যবহারের ওপর একটি লেকচার ও ব্যবহারিক প্রদর্শনীর ধারাবাহিকতায় এই লাইভ ফায়ারিং পরিচালনা করা হয়।

এএনআইর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অধিবেশনে এই আর্টিলারি সিস্টেমের প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত দিকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল কামানের অবস্থান নির্ধারণ, স্থানীয় প্রতিরক্ষা সমন্বয়, প্রতিপক্ষের গোলাবর্ষণের মুখে বিকল্প অবস্থানে সরে যাওয়া এবং গোলাবর্ষণ করেই দ্রুত স্থান ত্যাগের অনুশীলন।

ভারত ও মার্কিন সামরিক মহড়া ২২তম ‘যুদ্ধ অভ্যাস’ গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে। দুই সপ্তাহব্যাপী এই মহড়াটি উত্তরাখণ্ডের অউলি ফরেইন ট্রেনিং নোড এবং রাজস্থানের মহাজন ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে একযোগে পরিচালিত হচ্ছে। উভয় দেশের পক্ষ থেকে প্রায় ৬০০ করে সেনাসদস্য এতে অংশ নিচ্ছেন।