১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশের স্বার্থে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হব: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নাম

বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্নাম বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনও মতভেদ হবে না তা তিনি বলতে পারেন না। যুক্তরাজ্যের জন্য সঠিক কোনও ভিন্নমত প্রকাশের প্রয়োজন তার হতেই পারে।

দেশের স্বার্থে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হব: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নাম
অ্যান্ডি বার্নাম ছবি: বিবিসি

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Jul 2026, 10:56 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:44 PM

যুক্তরাজ্যের স্বার্থে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নাম।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বড় ধরনের এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন তিনি। বিবিসি-কে দেওয়া এই একান্ত সাক্ষাৎকারে বার্নাম বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রথম আলাপ বেশ ভাল হয়েছে। ট্রাম্পকে তার ‘খুবই উষ্ণ’ মনে হয়েছে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা রাখবেন কিনা, এমন প্রশ্ন দু’বার করা হলেও তিনি কোনও জবাব দেননি। উত্তর এড়িয়ে বার্নাম বলেন, “বিশ্ব প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে, তাই নয় কি? পরিস্থিতি সাপেক্ষেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

সোমবার সাক্ষাৎকারটি পুরোপুরি সম্প্রচার করা হবে। সাক্ষাৎকারে বার্নাম বলেছেন, “আমি কোনওভাবেই একথা বলতে পারি না যে, তার (ট্রাম্প) সঙ্গে আমার মতবিরোধ হবে না। যুক্তরাজ্যের জন্য যেটি ঠিক, তেমন ভিন্ন কোনও মত প্রকাশ করার প্রয়োজন আমার হতেই পারে।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণের কাছাকাছি, সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থাকাই আমার মূল শক্তি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও এর কোনও ব্যাত্যায় হবে না।”

দেশের জন্য সঠিক মনে হলে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নাম বলেন, ‘অবশ্যই।’

যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, “যে কোনো কিছুর আগে আপনাকে নিজদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। এ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে চাইলে এটিই আপনার করা প্রয়োজন।”

ইরানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুদ্ধ শুরু করা নিয়ে ‘উদ্বেগ’ ছিল জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজের কাছে যা সঠিক মনে হবে, তা বলতে তিনি কখনও পিছপা হবেন না।

বার্নামের এই মন্তব্যের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে ছায়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস ফিলিপ বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধু। আমাদের তাদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখা প্রয়োজন। তবে তারা যদি এমন কিছু করে যার সঙ্গে আমরা একমত নই, তাহলে আমাদের সততার সঙ্গেই ভিন্নমত প্রকাশ করা উচিত।”