১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘বাবার শেষ বিদায়ে থাকবেন না মুজতাবা খামেনি’

পর্দার আড়ালে থাকা ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনি নিরাপত্তাজনিত কারণে বাবার শেষকৃত্যে যেতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন তার প্রতিনিধি।

‘বাবার শেষ বিদায়ে থাকবেন না মুজতাবা খামেনি’
ইরানি বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি, প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনির ছবির ব্যানারের কাছে বসে কয়েকজন। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Jul 2026, 09:14 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:33 PM

নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মুজতাবা খামেনি তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না। এ খবর জানিয়েছেন ভারতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহি।

‘ইন্ডিয়া টুডে’ সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, মুজতাবা খামেনি ব্যক্তিগতভাবে বাবার জানাজায় যাওয়া এবং শোকার্ত মানুষের মাঝে সামিল হতে চাইলেও তার নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় সে সম্ভাবনা খুবই কম।

এলাহি আরও জানান, মুজতাবা খামেনির ঘনিষ্ঠজনরা এই আভাস দিয়েছেন যে তিনি বাইরে বেরোতে চান এবং সমর্থকদের সঙ্গেও দেখা করতে চান। কিন্তু নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাকে সেটি না করারই পরামর্শ দিয়েছে।

তিনি বলেন, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের এই সময়ে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা এখনও অনেক বেশি। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বলছে, সময় খুবই বিপজ্জনক। মুজতাবাকে তারা নিরাপত্তা দিতে পারবে না।

“আমার মনে হয় তিনি (মুজতাবা) বাইরে আসবেন না। হুমকির পরিবেশ বিরাজ করার কারণেই মূলত এই সিদ্ধান্ত”, বলেন এলাহি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। আগামী ৪ জুলাই থেকে ইরানের বিভিন্ন শহরে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৯ জুলাই জন্মস্থান মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

খামেনির দাফন প্রথমে মার্চ মাসে হওয়ার কথা থাকলেও ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়।

আলি খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন তার ছেলে মুজতবা খামেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখনও তিনি পর্দার আড়ালেই আছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এর আগে বলা হয়েছিল, মুজতাবা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আহত হয়েছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কখনও কোনও ভিডিও কিংবা অডিও রেকর্ডিংয়ে তিনি জনসম্মুখে আসেননি।