১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পাকিস্তান ও ইরানের আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’

তেহরান সফরের শেষ পর্যায়ে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে এ দাবি জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি।

পাকিস্তান ও ইরানের আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’
তেহরানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে আলোচনা করছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Aug 2026, 12:42 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:53 PM

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ এবং শান্তির বিষয়ে তেহরানের সঙ্গে ইসলামাবাদের আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে বলে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি জানিয়েছেন। 

পাকিস্তানের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তাদের তেহরান সফরের শেষ পর্যায়ে মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে এ দাবি জানিয়েছেন নাকভি।  

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনায় উত্তেজনা বৃদ্ধি রোধ, হরমুজ প্রণালি ফের খুলে দেওয়া এবং সংঘাতের দ্রুত অবসানের মতো বিষয়গুলোতে পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সোমবার পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান আসিম মুনির এক সফরে তেহরান যান। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকভিও তার সঙ্গে ছিলেন। সফরে তারা যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করেন। 

পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই পক্ষ আঞ্চলিক শান্তি ও বিরোধের বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর উপায় নিয়েও মতবিনিয়ম করেছে।   

এক্স এ দেওয়া পোস্টে নাকভি বলেছেন, “ইরানের প্রেসিডেন্ট অকপটে তার সরকারের দৃষ্টিভঙ্গী তুলে ধরেছেন আর সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো নিয়ে আমাদের মধ্যে অত্যন্ত গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে।”

রয়টার্স জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজ ও মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে মন্তব্যের অনুরোধ জানিয়েছিল, কিন্তু দাপ্তরিক সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর জানানো এ আবেদনে ওই দুই কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।  

সোমবার রয়টার্স জানিয়েছিল, তেহরান সফরের আগে মুনির যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছিলেন। 

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানকে ‘বাঁচিয়ে রাখার জন্য’ সমর্থন দেওয়া যে কোনো দেশকে অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন। তিনি ইরানকে সব দিক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চান। এর প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগর থেকে সব তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে ইরান।  

আরও পড়ুন: 

আরও কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে প্রতিশোধের প্রত্যয় ইরানের