Published : 21 Jun 2023, 10:06 PM
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘স্বৈরশাসক’ বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। জবাবে চীন বলেছে, যখন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাসের চেষ্টা চলছে, সে সময়ে এ ধরনের মন্তব্য ‘অযৌক্তিক ও উস্কানিমূলক’।
ওয়াশিংটন-বেইজিং উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে মাত্রই চীন সফর শেষ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। তিনি সেখানে গত সোমবার প্রেসিডেন্ট শি-র সঙ্গে দেখা করেন। পরদিন বাইডেন এ মন্তব্য করেছেন।
মঙ্গলবার বাইডেন বলেছেন, চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে চীনা নজরদারি বেলুন গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় শি বিব্রত হয়েছিলেন।
ক্যালিফোর্নিয়ায় তহবিল সংগ্রহের এক অনুষ্ঠানে বাইডেন বলেন, “স্বৈরশাসকদের জন্য এটা খুবই বিব্রতকর, যখন তারা জানে না কী হয়েছে। সেটা (বেলুন) যেখানে ছিল, সেখানে যাওয়ার কথা ছিল না। পরে সেটিকে গুলি করে উড়িয়ে দেওয়া হয়।”
মাও সে তুংয়ের পর শি কেই চীনের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা বলা হয়। শুধু ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলেই নয় বরং শি-র হাত ধরে বিশ্বজুড়ে সাফল্যের সঙ্গে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে চলেছে চীন। প্রথা ভেঙ্গে শি গত মার্চে তৃতীয়বারের মত চীনের প্রেসিডেন্ট হন।
শি বরাবরই বিরোধী মতকে কঠোর হাতে দমন করেছেন। যে কারণে অনেক মানবাধিকার সংগঠন, পশ্চিমা নেতা এবং বিশেষজ্ঞরা তাকে স্বৈরশাসক বলেন। তাদের যুক্তি শি-এর আমলে চীনে স্বাধীন বিচার বিভাগ, মুক্ত গণমাধ্যম বা সর্বজনীন ভোটাধিকারের অভাব রয়েছে।
বাইডেন এটাও বলেছেন, চীনে ‘সত্যিকার অর্থেই অর্থনৈতিক সংকট রয়েছে’|যার জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, বাইডেনের মন্তব্য ‘খুবই অযৌক্তিক এবং ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’।
এ নিয়ে কঠোর অসন্তোষ প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েল মুখপাত্র মাও নিং আরও বলেন, বাইডেনের মন্তব্য বাস্তবতা, কূটনৈতিক নীতি এবং চীনের রাজনৈতিক মর্যাদার গুরুতর লঙ্ঘন।
‘‘এগুলোকে খোলাখুলি রাজনৈতিক উসকানি বলে।”