১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

লেবাননে ইসরায়েলের উপস্থিতি থাকলে সমঝোতা স্মারক ‘বাতিল’ গণ্য হবে: ইরান

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতি থাকলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক ‘বাতিল’ গণ্য করার এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

লেবাননে ইসরায়েলের উপস্থিতি থাকলে সমঝোতা স্মারক ‘বাতিল’ গণ্য হবে: ইরান
লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে ইসরায়েলি সামরিক যান। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Jun 2026, 06:38 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:26 PM

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের উপস্থিতি বজায় থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সই হওয়া সমঝোতা স্মারক ‘বাতিল’ গণ্য করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

লেবাননের হিজবুল্লাহপন্থি সংবাদমাধ্যম ‘আল আখবার’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই একথা বলেছেন।

তিনি জানান, একটি চূড়ান্ত চুক্তি করা ও স্থায়ী শান্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের পর্যটন শহর বুর্গেনস্টকে মার্কিন ও ইরানি আলোচকদের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের প্রাথমিক আলোচনা শুরু হতে চলেছে। 

তবে চূড়ান্ত চুক্তি তখনই আলোর মুখ দেখবে, যখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা স্মারকটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবে। তেহরানের অবস্থান অনুযায়ী, এই বাস্তবায়নের অর্থ হল, লেবাননে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং সেখানে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো।

সাক্ষাৎকারে ইরানি মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন:

“লেবাননের ভাইদের বিপদে ফেলে চলে যাওয়া আমাদের পক্ষে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য ছিল না। আমরা এই যুদ্ধের একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাপ্তি চাই। এই কারণে, লেবাননের ভূখণ্ডের কোনও অংশ যদি ইসরায়েলের দখলদারিত্বে থাকে, তবে যুদ্ধ অবসান নিয়ে আলোচনা করা নিরর্থক। যতক্ষণ দখলদারিত্ব চলবে, ততক্ষণ ধরে নিতে হবে যে যুদ্ধ মূলত শেষ হয়নি, বরং তা এখনও জারি রয়েছে।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষা না হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান খসড়া চুক্তিটি স্থায়িত্ব পাবে না।