যুদ্ধের মধ্যে কিইভের আকাশে আলোর ঝলকানিতে ‘উদ্বেগ’
শক্তিশালী এই রহস্যময় আলো প্রথমে আতঙ্ক ছড়ালেও পরে কৌতুহল ও অনেক জল্পনার কারণ হয়।
ইউক্রেইনের রাজধানী কিইভের রাতের আকাশে শক্তিশালী এক আলোর ঝলকানি দেখা যাওয়ার পর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন বাজানো হয়, কিন্তু পরে কিছুই ঘটেনি।
কিইভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান সের্হি পোপকো টেলিগ্রামে বলেছেন, “ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা জানানো হলেও এয়ার ডিফেন্স কার্যকর করা হয়নি।”
বুধবার স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে ওই উজ্জ্বল আভায় কিইভের আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে, এই রহস্যময় আলো প্রথমে আতঙ্ক ছড়ালেও পরে কৌতুহল ও অনেক জল্পনার কারণ হয়।
কিইভের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি পৃথিবীতে পড়া মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার একটি কৃত্রিম উপগ্রহ।
কিন্তু নাসা বিবিসিকে জানিয়েছে, তাদের যে কৃত্রিম উপগ্রহটি বুধবার ফের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে বলে তারা জানিয়েছিল সেটি ওই সময় (কিইভ সময় বুধবার রাত প্রায় ১০টা) কক্ষপথেই ছিল, তবে রাতের মধ্যেই তা পড়তে পারে।
ইউক্রেইনের বিমান বাহিনীর ধারণা, আলোর ঝলকানিটি কোনো পতিত উল্কার কারণে ঘটেছে।
তবে এটি যাইহোক, রাশিয়ার কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে যে এমনটি ঘটেনি, এ বিষয়ে ইউক্রেইনীয় বিমান বাহিনীকে যথেষ্ট আস্থাশীল বলে মনে হয়েছে; জানিয়েছে বিবিসি।
গত বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে রাশিয়া ইউক্রেইনে হামলা শুরু করার পর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা দেশটিতে খুব পরিচিত হয়ে উঠেছে।
বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল এই আলোর ঝলকানিটির ভিডিও সম্প্রচার করার পর এটি কী হতে পারে, তা নিয়ে বিভিন্ন অনুমান ও মিম দিয়ে ইউক্রেইনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ভেসে যায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারণাটি ছিল, অ্যালিয়েনদের কারণে এমনটি হতে পারে।
“সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফ্লাইং সসারের মিম দিয়ে আমোদিত হওয়ার সময় অনুগ্রহ করে মিম তৈরি করতে বিমান বাহিনীর দাপ্তরিক প্রতীক ব্যবহার করবেন না,” এক নোটিশে বলেছে দেশটির বিমান বাহিনী।
