১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মালিতে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহীদের হামলায় ৪০ জ্বালানি ট্যাংকার ধ্বংস

বিদ্রোহী গোষ্ঠী জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম) গত সপ্তাহে দেশটিতে জ্বালানি আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে।

মালিতে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহীদের হামলায় ৪০ জ্বালানি ট্যাংকার ধ্বংস
শতাধিক গাড়ির একটি বহর পশ্চিমাঞ্চলীয় কায়েস থেকে রাজধানী বামাকোতে মানুষ ও পণ্য নিয়ে যাচ্ছিল। ছবি: গ্রাফিক অনলাইন

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Sep 2025, 05:04 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:18 PM

মালিতে আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহীদের হামলায় অন্তত ৪০টি জ্বালানি ট্যাংকার ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। 

রোববার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় কায়েস অঞ্চলে শতাধিক গাড়ির একটি বহরে হামলাটি চালানো হয়।  

বিদ্রোহী গোষ্ঠী জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম) গত সপ্তাহে দেশটিতে জ্বালানি আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। তারা গাড়িবহরটির ওপর হামলার দায় স্বীকার করেছে; জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

মালির চেম্বার অব কর্মাসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরবরাহ যদি পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তাহলে দেশ দুই সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানিবিহীন হয়ে পড়বে। 

দেশটির ট্রাকচালক ইউনিয়নের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, প্রায় ৪০টি ট্যাংকার ধ্বংস হয়েছে। কিন্তু জেএনআইএম এর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, তারা ৮০টি ট্যাংকার ধ্বংস করেছে। 

এক ভিডিওবার্তায় গোষ্ঠীর এক মুখপাত্র বলেন, গাড়িবহরটির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মালির সেনারা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়।

অন্যদিকে মালির সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, কায়েস থেকে রাজধানী বামাকোতে মানুষ ও পণ্য নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার মিশনে থাকা অবস্থায় তারা ‘সন্ত্রাসী হামলার’ শিকার হয়, তবে সেনারা হামলাকারীদের ’কঠোর জবাব দিয়েছে’।

ধ্বংস হওয়া ট্যাংকারের সংখ্যা নিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

২০২০ ও ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশটি সামরিক শাসনে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাহেল অঞ্চলের শহর ও নগরগুলো ঘিরে ফেলার কৌশল নিয়েছে জঙ্গিরা, এতে দেশটির সামরিক সরকার বাড়তে থাকা চাপের মুখোমুখি হচ্ছে।