০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এমন এক ডিএনএ পরীক্ষার কথা গবেষকরা বলছেন, যেখানে বোঝা যাবে, কেমোথেরাপি কোন রোগীর ক্ষেত্রে কাজ করবে, কার ক্ষেত্রে করবে না।
গবেষণা বলছে, কম বয়সী রোগীদের তুলনায় প্রবীণ বা বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারের পরিণতি প্রায়ই বেশি মারাত্মক হয়।
যারা কেবল মাছ খান তাদের স্তন, কিডনি ও অন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। অন্যদিকে, যারা কেবল মুরগির মাংস খান তাদের প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কম।
“স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক প্রশান্তি ও নিয়মিত ব্যায়ামই সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি,” বলেন প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হালিদা হানুম।
তিন শতাধিক নারী পুলিশ সদস্য এতে অংশ নেন।
স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শনাক্তকরণ, সঠিক চিকিৎসা ও সামাজিক সহানুভূতি-এই তিনটি একত্রে জীবন বাঁচাতে পারে, বলেন ডা. খন্দকার আজাদ।
“বিশ্বে প্রতি মিনিটে চারজন নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন ও একজন নারী এ রোগে মারা যাচ্ছেন।”
“অনেকের ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার পরও অসচেতনতা, অজ্ঞতা ও আর্থিক স্বচ্ছলতার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারেন না,” বলেন চিকিৎসক হাবিবুল্লাহ তালুকদার।