০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১
“এবারের বাজেটটা একটু বাস্তবমুখী করব। মূল্যস্ফীতি কমবে, ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।"
“আমি তো দেখেছি চিকিৎসকরা ফি নেন, রশিদ দেন না। এখন তারা রশিদ দিলে একটা ডকুমেন্ট থাকবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতেই অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “ভুল বোঝাবুঝি ও সন্দেহের কারণে অনেক কথা হচ্ছে। আমি ব্যবসায়ীদের নিশ্চিত করতে পারি, আমাদের কোনো বাজে এজেন্ডা নেই।”
তার যুক্তি, “মূল্যস্ফীতির মূল ইন্ডিকেটর হচ্ছে চাল-ডাল ইত্যাদি। যেসব জিনিসের দাম বাড়িয়েছি সেগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুবই ইনসিগনিফিকেন্ট।”
“ব্যাংকিং খাতে সংস্কারগুলো মানুষের কল্যাণের জন্য এবং দীর্ঘস্থায়ী সুবিধার জন্য। এমন না যে আমরা আবার টাকা ছাপিয়ে দিয়ে দিলাম।”
“মানুষ অধৈর্য হয়ে গেছে, এটাই স্বাভাবিক। প্রধান উপদেষ্টাকে বললাম বাজারে দাম কমানো শুধু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ না।"
“দ্রুত, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। ইমিডিয়েটলি যে কয়টা সমস্যার সমাধান করা দরকার, তা আমরা তা করব’’, বলেন তিনি।
“আর্থিক খাতের সংস্কার ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে," বলেন উপদেষ্টা।