০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
জমি প্রস্তুত, বিপুল টাকা খরচ করে কারখানাও তৈরি; কিন্তু শুধু গ্যাস ও জ্বালানির অভাবে অলস পড়ে আছে হাজার হাজার কোটি টাকার শিল্পকাঠামো।
“আমার দাবি থাকবে আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ পাবে, তারপর এটি অন্য এলাকায় যাবে।”
সিইউএফএল ও কাফকো থেকে সংগ্রহ করা অ্যামোনিয়া দিয়ে ডিএপির উৎপাদন পরিচালনা করা হত।
কারখানাগুলোর সক্ষমতা ৩০ লাখ টন, কিন্তু উৎপাদন মাত্র পাঁচ থেকে আট লাখ টন! কেন এই বিশাল ব্যবধান?
গত ৪ মার্চ থেকে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর গ্যাস সাশ্রয়ে পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা বন্ধ রাখা হলেও চলতি বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এ নিয়ে শঙ্কার কারণ দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।
কারখানা সচল করে পুনরায় ইউরিয়া সার উৎপাদনে যেতে অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগবে, বলেন ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক।
তিতাস গ্যাস, বাখরাবাদ, জালালাবাদ ও কর্ণফুলী বিতরণ সংস্থার সব সার কারখানা গ্রাহক পর্যায়ে নতুন এই দর কার্যকর হবে।