২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
এতে ২৫টি গ্রামের সাঁওতাল, ওঁরাও, মালপাহাড়িয়া, মুণ্ডাসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ অংশ নেন।
এর মধ্যে ছিল শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বিজয় কি সবার ছিল না? তাহলে কেন আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা আজও রাষ্ট্রীয় তালিকার প্রান্তসীমায় পড়ে আছে? সাড়ে পাঁচ দশকের এই নীরবতা ভাঙার সময় এসেছে।
জুলাই সনদ কি সুশাসনের ভিত্তিপ্রস্তর, নাকি রাজনৈতিক দর কষাকষির এক প্রতীকী চুক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে? সংস্কার ও নির্বাচনের দ্বিধাজড়িত পথরেখায় উঠে আসছে এমন অনেক প্রশ্ন।
তীরনিক্ষেপ প্রতিযোগিতা, পদযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় উদযাপিত হয়েছে সাঁওতাল বিদ্রোহ।
কামদিয়া ইউনিয়নের সাতানা আলোর ঘর শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠেও আলাদাভাবে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস উদযাপিত হয়েছে।
১৭০তম ‘সাঁওতাল হুল দিবস’ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রারও আয়োজন করা হয়।