২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
গত দুই বছরে নীরবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ভেতরে ভয়াবহ এক মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয় ঘটে গেছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কের মধ্যে একধরনের ভয় ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং আলগা হয়ে গেছে তাদের দৃঢ় বন্ধন।
শিক্ষাক্ষেত্রে একজন মন্ত্রীর সর্বোচ্চ গুণ যখন ধরা হয় ‘নকল ঠেকানোর ক্ষমতা’কে, তখন বুঝতে হবে শিক্ষার মূল লক্ষ্য পথ হারিয়েছে। এই পুলিশি দক্ষতা দিয়ে কি আদৌ মানবিক মেধা গড়ে তোলা সম্ভব?
মানুষকে সম্পদে পরিণত করে রাষ্ট্রের কাজে লাগাতে হলে শিক্ষাদান পদ্ধতি ও সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা এমন হতে হবে যাতে বারবার ঘষামাজার দরকার না পড়ে। অথচ আমাদের দেশে বছরে দু-বারও নতুন পদ্ধতি চালু করার নজির আছে!
মাইলস্টোন স্কুলে কোচিং বাধ্যতামূলক করার যে বিতর্ক এখন আলোচিত হচ্ছে, সেটি আসলে একটি সামগ্রিক সমস্যার প্রতিচ্ছবি, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক ভেঙে পড়ছে আর শিক্ষা পরিণত হচ্ছে বাণিজ্যে।
শিক্ষার্থী হলো শিক্ষকের ‘ক্লায়েন্ট’—এমন মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষক—উভয়েরই সম্মান ও মর্যাদা আছে। সমাজে মূল্যবোধ ধরে রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা জরুরি।
শুধু ক্যামেরা নয়, হৃদয়ে আলো জ্বালিয়েছিলেন তিনি। ছাত্রদের হাতে তুলে দিয়েছেন ভবিষ্যৎ—চঞ্চল মাহমুদ ছিলেন আলোকচিত্রের এক নিঃশব্দ কিংবদন্তি।