২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
“একটি পাশ্ববর্তী দেশে প্রধান উপদেষ্টাকে যেভাবে নিন্দনীয় উপস্থাপনের সংবাদ পাওয়া গেছে, তার সঙ্গে অসুরের মুখে দাড়ি বসিয়ে দেওয়ার কাজটির যোগসূত্রতা দেখা যাচ্ছে।”
‘অন্নপূর্ণার আগমনে’ দেশের মন্দির-মণ্ডপে আনন্দের যে লহর বইছিল, দশমী তিথিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাকে বিদায় জানালেন অশ্রুজলে।
শঙ্খনাদ-উলুধ্বনি, খোল-করতাল-ঢাকের বাদ্য, আর সধবাদের সিঁদুর খেলার আচারে দেবীদুর্গাকে অশ্রুভেজা ভালোবাসায় বিদায় জানান সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আনন্দ উৎসবের এই লগ্ন বিকালে শেষ হবে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
হিন্দু সনাতন শাস্ত্রমতে, নবমী তিথিতে রাবণ বধের পর রাজা শ্রী রামচন্দ্র এই পূজা করেছিলেন। নীলকণ্ঠ ফুল ও যজ্ঞের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় নবমী বিহিত পূজা।
১০৮টি মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে ও ১০৮টি পদ্মফুল নিবেদন করা হয় দেবীর চরণে।
ভাষা-সাহিত্য, শিল্প-সংগীত ও উৎসবের অভিন্ন ঐতিহ্যও ধারণ করে দুই দেশ, বলেন হাই কমিশনার।
“সার্বিক দায়িত্ব ভোটে অংশগ্রহণ করা।“