০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নাসা কি নিজের পুরানো পথেই হাঁটবে, নাকি বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার নতুন যুগে প্রবেশ করবে এর উত্তর মিলবে আর্টেমিস টু যাত্রার সাফল্যের ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন ছিল এমন এক প্লেনের, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের আকাশসীমা অতিক্রম করে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে, কিন্তু ধরা পড়বে না।
এটি এমনভাবে তৈরি, যা সুপারসনিক গতিতে উড়লেও অতীতের সুপারসনিক জেটের মতো জোরালো ‘সনিক বুম’ বা তীব্র বিস্ফোরণধ্বনি তৈরি করে না।
এর আগেও ট্রাম্পকে সমর্থন করার জন্য অর্থ ব্যয় করেছেন প্রযুক্তি প্রধানরা। ট্রাম্পকে কোনো কারণে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের মূর্তিও উপহার দিয়েছিলেন অ্যাপলের সিইও টিম কুক।
প্লেনটির ইঞ্জিন কেবল ১০ সেকেন্ড কাজ করলেও সেই অল্প সময়েই এক্স৪৩-এ প্রমাণ করেছে, বাতাসের অক্সিজেন ব্যবহার করে হাইপারসনিক উড্ডয়ন বাস্তবেও সম্ভব।