২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
“আমাদের একটি মোবাইল চুরি হওয়ায় আমরা আলমগীরের ঘরে তল্লাশি করি। এক পর্যায়ে একটি পুরনো গিটারের ভেতরে পিস্তল দেখতে পাই।”
“মামলাটি জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় হস্তান্তর হয়েছে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে ডিবি পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
ঘরের দরজা ভেঙে মা ও দুই ভাইয়ের লাশ দেখতে পান বলে মেয়ের দাবি।
সাত দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর এক ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, শ্বাসরোধে ও মাথায় আঘাত করে তাদের হত্যা করা হয়েছে। তিনটি মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন আছে।
শিমুলকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছটফট করতে দেখে তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার মাও বিদ্যুতায়িত হন।
এসপি জানান, আজিজুল তার স্ত্রী ও সন্তানকে ওই হোটেল কক্ষে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
পুলিশ জানায়, মাঠে ধান কাটার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে মা-ছেলে এবং একজন শ্রমিক নিহত হয়।