০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূলের টিকিটে জয় পাওয়া দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কই বিদ্রোহ করেছেন। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে সমর্থন দেন তারা।
ভাঙনের মুখে পড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দল তৃণমূল সতর্ক বিবেচনার পর তাদের সব সাংগঠনিক কমিটি এবং শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার কথা জানিয়েছে এক্সে এক পোস্টে।
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তার দল বিজেপি’র অপ্রতিরোধ্য শক্তি এবং দলীয় কোন্দলের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তাই সামনের দিনগুলোতে দলের টিকে থাকা এখন পরীক্ষার মুখে।
২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বাম সরকারের পতনের পর তৃণমূল দখলে নিয়েছিল সিপিআইএম-এর শ্রমিক সংগঠন সিআইটিইউ- এর কার্যালয়। সেটিই এবার ফেরত দিল তৃণমূল।
ভারতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই রণংদেহি মনোভাবকে কেন্দ্র করে রাজ্য প্রশাসনে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
আগামী শনিবার সকাল ১০টায় কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই শপথ অনুষ্ঠান হবে।
বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা তার নিজের এই শক্ত ঘাঁটিতে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান, যা রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন- দু’জনের কেউই লড়াই ছাড়ার পাত্র নন। তারা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, এখনই হার মানবেন না।