২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৈষম্য কমিয়ে ভর্তুকি লক্ষ্যভিত্তিক করা গেলে কৃষি খাতে সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়বে বলে মত বিশ্ব ব্যাংকের।
ইরানসহ পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার খাতে এই অতিরিক্ত ভর্তুকি লাগতে পারে।
বন্যায় তলিয়ে যাওয়া ফসলের জমি দেখে হাওরে কৃষকের মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। কৃষকের এই লড়াই কি কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ, নাকি কাঠামোগত অবহেলাও?
কারখানাগুলোর সক্ষমতা ৩০ লাখ টন, কিন্তু উৎপাদন মাত্র পাঁচ থেকে আট লাখ টন! কেন এই বিশাল ব্যবধান?
আর্থিক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার কথাও তুলে ধরেন ব্যবসায়ী থেকে গভর্নরের দায়িত্বে আসা মোস্তাকুর রহমান।
কোন শর্তে কত টাকা পাওয়া যাবে, তার বিস্তারিত আলোচনা হবে আগামী এপ্রিলে আইএমফের বসন্তকালীন বৈঠকে।
ভর্তুকি, সার, বীজ এবং কীটনাশক সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে এ কার্ডের মাধ্যমে।
“কিছু অসাধু ডিলার সরবরাহ সংকট দেখিয়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চাইতে বেশি দামে বিক্রি করে,” দাবি সার ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ফয়সলের।