০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এর মাধ্যমে বিগ ব্যাংয়ের পর প্রথম একশ কোটি বছরের মধ্যে থাকা কোনো ব্ল্যাক হোলের ভর বা ভরসংখ্যা প্রথমবারের মতো সরাসরি পরিমাপ করা সম্ভব হল।
১৯৬১ সালের দিকে হকিংয়ের বাবা নিজের ডায়েরিতে যখন ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে লিখছিলেন তখন কল্পনাতেও ভাবেননি যে তার ছেলে পরবর্তীতে কী অসামান্য সব অর্জন করতে যাচ্ছে।
এ মহাজাগতিক ঘটনার সবচেয়ে অস্বাভাবিক দিকটি হচ্ছে তারাটিকে গিলে ফেলার পর ব্ল্যাক হোলটির ‘বদহজম’ বা প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা ও দীর্ঘস্থায়িত্ব।
আদি মহাবিশ্বের এ প্রচণ্ড উত্তাপের পেছনে তিনটি বিশাল ব্ল্যাক হোল থাকতে পারে, যা থেকে নির্গত প্রচণ্ড শক্তি আশপাশের গ্যাসকে উত্তপ্ত করে তুলছে।
গত এক দশকে বিজ্ঞানীরা এক ডজনেরও বেশি এমন আলোর দেখা পেলেও এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে তাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে।
যদি কোনো প্লেন ব্ল্যাক হোলের খুব কাছে চলে আসে তবে এর ভাগ্য নির্ভর করবে ওই ব্ল্যাক হোলের ভর কত বড় ও প্লেনটি ব্ল্যাক হোলের কত কাছে এসেছে তার ওপর।
এ দুটি ব্ল্যাক হোল রয়েছে ‘ওজে২৮৭’ নামের এক কোয়াসারের মধ্যে, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৫০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে ‘ক্যান্সার’ তারাগুচ্ছে অবস্থিত।
এসব লাল বিন্দু ছায়াপথ নয়, বরং হতে পারে তরুণ সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের আশপাশে গ্যাসের বিশালাকার গোলক।