১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
গ্রহটি এর তারার এমন এক ‘বাসযোগ্য অঞ্চলে’ অবস্থান করছে, যা খুব বেশি গরমও নয় আবার খুব বেশি ঠান্ডাও নয়। বিজ্ঞানীদের মতে, যা তরল পানি ও প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য আদর্শ।
নতুন মহাকাশযানটি মঙ্গলে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র বহন করে নিয়ে যাবে, যা মঙ্গলের বাতাস, তাপমাত্রা, ধূলিকণা ও মেঘের সমন্বিত চিত্র প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরবে।
আশপাশের বাতাস থেকে পানি সংগ্রহের বেশ কিছু পদ্ধতি বর্তমানে প্রচলিত থাকলেও সেগুলোর বেশিরভাগই আকারে বেশ বড় বা ব্যবহার করা ঝামেলার।
নিউট্রিনো যে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অনায়াসে চলে যেতে পারে। বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো অজান্তেই মানুষের দেহের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে।
মহাকাশযানটির মূল বৈজ্ঞানিক গবেষণার মেয়াদ কেবল এক বছর নির্ধারিত হলেও মহাকাশযান মঙ্গলের কক্ষপথে ১১ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত পৃথিবীতে তথ্য পাঠিয়েছে।
এসব বহির্গ্রহের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের বাতাসের চেয়েও শক্তিশালী।
হাজার হাজার মাইল দূরে অবস্থিত পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় মরুভূমিটি প্রতিনিয়ত যে ক্ষয়ে যাচ্ছে, সেই ক্ষয়ে যাওয়া ধুলা দিয়েই বছরের পর বছর ধরে উর্বর হয়ে উঠছে পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ এই বনাঞ্চল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ দশকের শেষদিকে মহাকাশ খাতের মোট পরিবেশ দূষণের প্রায় ৪২ শতাংশই আসবে এসব স্যাটলাইট উৎক্ষেপণের কারণে।