২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
“১১৪ জনের লাশ উত্তোলন ও ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।”
‘স্লিপ অব টাং’ থেকে শুরু করে শরণার্থী শিবির, সংবাদপত্র, গণহত্যা গবেষণা ও জনসংখ্যা বিশ্লেষণ—সবকিছু মিলিয়ে এই লেখা দেখায়, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ নিয়ে সংখ্যার বিতর্ক আসলে ইতিহাস অস্বীকারের এক রাজনৈতিক প্রকল্প।
“আমরা গেলে জেলা প্রশাসক ফাইল আনেন, দেখেন, তারপর আশ্বাস দেন। এরপর আর কিছু এগোয় না,” বলেন মোস্তফা কামাল।
জোহা হলকে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প বানানো ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একটি সচেতন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত—শহীদ জোহার আত্মত্যাগ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অপমান করার প্রয়াস।
একদল তরুণের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয়েছে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে শহীদ বাংলার সূর্য সন্তানদের, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের।
এক সময়ের স্বচ্ছল পরিবারটি বাড়ি ফেরে পুরোপুরি শূন্য হাতে। বাড়িতে এসে দেখে, তাদের কিছুই নেই।