০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“এবার আমরা গতবারের তুলনায় সময় কম পেয়েছি। পাশাপাশি নাম নিয়ে একটা বিতর্ক ছিল।… সব মিলিয়ে এবার একটু ব্রেক ডাউন হয়েছে।”
রাজধানীর রমনা বটমূলে সূর্যোদয়ের পর শুরু হয় ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভিড়।
নানা বয়সের, নানা শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে রঙিন হয়ে উঠেছে বাঙালির চিরায়ত এ উৎসব।
দিনব্যাপী আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রা ছাড়াও আছে গান, আবৃত্তি, নৃত্য, মূকাভিনয়সহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
বৈশাখের প্রথম প্রভাতে রমনা বটমূলে গানে গানে বঙ্গাব্দ ১৪৩৩ কে বরণ করে নিয়েছে ছায়ানট।
বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রভাতে দুঃখ-বেদনা, গ্লানি আর অসুন্দরকে ভুলে মুক্তির জয়গানে বাজবে বর্ষবরণের সুর; সমবেত কণ্ঠে ধ্বনিত হবে- ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো...’।
ডিসি হিল ও সিআরবির শিরীষতলা দুই জায়গাতেই বর্ষবরণের আয়োজনে সম্পৃক্ত হয়েছে প্রশাসন ও বিএনপিপন্থিরা।
এ বাহিনীর মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, “আমরা কোনো হুমকি বোধ করছি না।”