০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কেবল সিঙ্গেল প্রেক্ষাগৃহে নয়, দেশের সবচেয়ে বড় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সও ‘প্রিন্স’ এর কোনো ডিসিপি (ডিজিটাল সিনেমা প্রজেকশন) ফাইল পায়নি।
চিত্রনাট্যে উঠে এসেছে দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যাত্রাশিল্পীদের সংগ্রাম, এবং এই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা।
এসব প্রেক্ষাগৃহ তৈরি হবে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে, যাতে সিনেমা সব শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা গ্লিটজকে বলেছেন, নীতিমালা মেনে সিনেমা আমদানি করা যাচ্ছে। কাউকে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না।
‘বলী’ চলছে ৮টি প্রেক্ষাগৃহে; ‘দায়মুক্তি’ চলছে ২০টিতে।
“ব্যবসার জন্য দুই ঈদের জন্য বসে থাকতে হচ্ছে, সিনেমা হল তো শুধু দুই ঈদের জন্য বানাইনি।”
‘থার্টি সিক্স-টোয়েন্টি ফোর-থার্টি সিক্স’ চলবে ১৮টি প্রেক্ষাগৃহে; ‘রং ঢং’ চলবে সিনেপ্লেক্সে।
‘টেক্কা’ মুক্তি পাবে আগামী ৮ অক্টোবর।