০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
‘অন্নপূর্ণার আগমনে’ দেশের মন্দির-মণ্ডপে আনন্দের যে লহর বইছিল, দশমী তিথিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাকে বিদায় জানালেন অশ্রুজলে।
শঙ্খনাদ-উলুধ্বনি, খোল-করতাল-ঢাকের বাদ্য, আর সধবাদের সিঁদুর খেলার আচারে দেবীদুর্গাকে অশ্রুভেজা ভালোবাসায় বিদায় জানান সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
‘অন্নপূর্ণার’ আগমনে মন্দির-মণ্ডপে আনন্দের লহর বইছিল; দশমী তিথিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাকে বিদায় জানাচ্ছেন অশ্রুজলে। ভক্তরা বলছেন, বিজয়া দশমীর দিনটি একদিকে যেমন উৎসবের, অন্যদিকে বেদনার।
আনন্দ উৎসবের এই লগ্ন বিকালে শেষ হবে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
হিন্দু সনাতন শাস্ত্রমতে, নবমী তিথিতে রাবণ বধের পর রাজা শ্রী রামচন্দ্র এই পূজা করেছিলেন। নীলকণ্ঠ ফুল ও যজ্ঞের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয় নবমী বিহিত পূজা।
ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে সেবা চালু ছিল।
শাস্ত্র মতে, মানববন্দনা, নারীর সম্মান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ঈশ্বরের আরাধনাই কুমারী পূজার শিক্ষা।
“কৃত্তিবাসী রামায়নের মাধ্যমে আমরা এবছর বার্তা দিচ্ছি দুষ্টের দমন, ধর্মের বিজয়কে। যেটি বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে খুবই প্রয়োজনীয় বলে আমরা মনে করছি।”