০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূলের টিকিটে জয় পাওয়া দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়কই বিদ্রোহ করেছেন। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসাবে সমর্থন দেন তারা।
ভাঙনের মুখে পড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দল তৃণমূল সতর্ক বিবেচনার পর তাদের সব সাংগঠনিক কমিটি এবং শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার কথা জানিয়েছে এক্সে এক পোস্টে।
সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তার দল বিজেপি’র অপ্রতিরোধ্য শক্তি এবং দলীয় কোন্দলের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তাই সামনের দিনগুলোতে দলের টিকে থাকা এখন পরীক্ষার মুখে।
“আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলব না।”
এর আগে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গিয়ে হামলার শিকার হয়ে আহত হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে বাম সরকারের পতনের পর তৃণমূল দখলে নিয়েছিল সিপিআইএম-এর শ্রমিক সংগঠন সিআইটিইউ- এর কার্যালয়। সেটিই এবার ফেরত দিল তৃণমূল।
পশ্চিমবঙ্গে এখন ‘মাংসের রাজনীতি’ তুঙ্গে। কোরবানির ঈদের মুখে ১৯৫০ সালের পুরনো আইন কঠোরভাবে বলবৎ করার পেছনের রহস্যটা কী?
এর মধ্যে অন্তত ৮৬টি আসন আছে, যেখানে বিজেপি এর আগে কখনো জেতেনি।